ধান

টিকে থাকার লড়াইয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমের শুষ্ক বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকেরা বলছেন, তারা গ্রামীণ জীবনের মূল ভিত্তি চোখের সামনে হারিয়ে যেতে দেখছেন। কয়েক দশক ধরে ভূগর্ভস্থ পানি বাংলাদেশের অন্যতম শুষ্ক এই বরেন্দ্র অঞ্চলকে একটি উৎপাদনশীল কৃষি অঞ্চলে পরিণত করেছিল। গভীর নলকূপের কল্যাণে কৃষকেরা একসময়ের খরাপ্রবণ এই জমিতে বছরজ

যে ভাতে জীবনধারণ, সে ভাতই ডেকে আনছে ‘মরণ’!
বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষের প্রধান খাবার হলো ধান থেকে আসা চাল বা ভাত। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পাহাড়ের ঢাল থেকে শুরু করে চীন ও ভারতের সেচ দেওয়া বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ–কোটি কোটি মানুষের প্রতিদিনের খাবার জোগায় এই ধান। কিন্তু সমস্যা হলো, ধান চাষের জন্য জমে থাকা জল বা কাদা মাটি কিছু অণুজীব তৈরির আদর্শ পরিবেশ

পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও আরও ৫ লাখ টন ধান কিনবে সরকার
অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চলতি মৌসুমে ৫ লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ৩ মে থেকে শুরু হয়ে এই ক্রয় প্রক্রিয়া চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। আজ বুধবার এক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এক ধানগাছ থেকেই ফসল আসবে ৪ বার!
মালয়েশিয়ায় চালের ফলন বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োগ করা হচ্ছে চীনের র্যাটুন রাইস প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ক্রান্তীয় অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার তৈরি করেছে। উর্বর ভূমি থাকা সত্ত্বেও মালয়েশিয়া বর্তমানে তাদের প্রয়োজনীয় চালের মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ উৎপাদন করতে সক্ষম।

৫০ টাকা দরে চাল, ৩৪ টাকায় ধান কিনবে সরকার
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি আমন মৌসুমে মোট ৭ লাখ খাদ্যশস্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।



