
পোড়া রুটি আর চা কুষ্টিয়ায় পরিচিতি নাস্তা। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সলিমুল্লাহ রোডেও পাবেন এই খাবার। ৬ ধরনের চায়ের সঙ্গে মাখন দেওয়া পোড়া রুটি পাওয়া যায় এখানে। রুটি আর চায়ে খরচ হবে ৭০ টাকা। ভিডিও: হাসান জোবায়েদ সজিব

পিতলের নানা তৈজসপত্র বিক্রি হয়—এমন বেশ কয়েকটি দোকান রয়েছে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে। হাঁড়ি-পাতিল, ঘর সাজানোর জিনিসপত্র, ল্যাম্প, গয়নার বাক্স, থালা-বাটি, গ্লাস ইত্যাদি পণ্য এখানে পাওয়া যায়।

ক্যাফে হলেও নিউ ক্যাফে কর্নারে কখনো কফি পাওয়া যেত না। এখানকার চা গ্রাহকদের কাছে সবসময়ই জনপ্রিয়। কনডেন্সড মিল্ক আর কড়া লিকারের এই চা খেতে অনেকেই এখানে আসেন।

ঢাকা শহরে এখনো ব্রিটিশ আমলের খাদ্য-সংস্কৃতি ধরে রেখেছে পুরান ঢাকার নিউ ক্যাফে কর্নার। ৬৫ বছরের পুরনো এই দোকানে পাওয়া যায় মাটন ক্রাম চাপ। যা পুরো দেশে আর কোথাও পাওয়া যায় না। দেশের প্রখ্যাত সব লেখকদের পদচারণায় এক সময় মুখর ছিল এই ক্যাফে।

অনেক এলাকায় চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। কোথাও গভীর রাতে সামান্য গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলোতে রান্না ব্যাহত হচ্ছে। বাসাবাড়িতে রান্নার বিকল্প হিসেবে কেউ বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন, কেউ আবার বাইরে থেকে খাবার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

সুইজারল্যান্ডে বারে এই নরক থেকে অল্পের জন্য বেঁচে ফেরা ১৭ বছর বয়সী কিশোরী লিটিশিয়া প্লেস। তার চোখেমুখে এখনও সেই রাতের আতঙ্ক। কান্নায় ভেঙে পড়ে লিটিশিয়া বলছিল সেই ভয়াল স্মৃতির কথা। লিটিশিয়া এখন গির্জায় এসেছে তার নিখোঁজ বন্ধুদের জন্য প্রার্থনা করতে। যারা হাসপাতালে লড়ছেন, তাদের জন্য দোয়া করতে। লিটিশ

প্রায় ৪ দশক ধরে খেলাধুলার নানা পণ্য বিক্রি করছে গুলিস্তানের ‘রয়েল হাউজ স্পোর্টস’। এই দোকানে ব্যাডমিন্টন র্যাকেটও পাওয়া যায়, দাম ১০০ টাকা থেকে শুরু করে লক্ষাধিক টাকা।

সিয়ামের মায়ের কান্না থামছেই না। বড় ছেলেকে হারিয়ে তিনি এখন পাগলপ্রায়। গত ২৪ ডিসেম্বর রাজধানীর মগবাজারে ককটেল বিস্ফোরণে সিয়াম মজুমদার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সিয়াম ছিল চারজনের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।

প্রতি বছর বড়দিনে ফুলের দোকানগুলোতে ক্রেতার ভিড় থাকে। কিন্তু নানা কারণে এবার রাজধানীর শাহবাগে ফুলের দোকানগুলো প্রায় ফাঁকা।

ইরাকের সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে খ্যাত বাগদাদের ঐতিহাসিক আল-মুতানাব্বি স্ট্রিটের নিচে লুকিয়ে আছে এক অনন্য বইয়ের দোকান। আর এর নেপথ্যে রয়েছেন ৬৮ বছর বয়সী এক নিবেদিতপ্রাণ মানুষ- আদনান জাফর ঘানি। তাঁর এই দোকানে আছে হাজার হাজার বইয়ের সমাহার।

প্রিয়জনদের জন্য পছন্দসই উপহার খুঁজে বের করতে অনেক দোকানে ঘোরাঘুরি করতে হয় অথবা ই-কমার্স সাইটগুলোতে স্ক্রল করতে হয় দীর্ঘক্ষণ। অনেকে ব্যাপারটি উপভোগ করলেও অনেকের কাছে বিরক্তিকর। এআই এবার এই জায়গাটি নিতে চলেছে।

শীতের মৌসুমে কার্পেটের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এবার ভিন্ন সময় পার করছেন ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকার ব্যবসায়ী হাসিব উদ্দিনের দাবি, এমন সময় তিনি আগে দেখেননি। দোকান খুলে বসে থাকলেও, ক্রেতা পাচ্ছেন না তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশাভ্যানে করে বই বিক্রি করেন মধু মন্ডল। এই ভ্রাম্যমাণ দোকানের নাম ‘বইপোকা’। বই ধারও দেওয়া হয়।