
বিজয়ের ইশতেহারে ক্ষুদ্র ভূমিমালিক কৃষকদের জন্য সমবায় কৃষি ঋণ মওকুফ এবং বড় কৃষকদের জন্য আংশিক ঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। দলটি ধানের জন্য প্রতি কুইন্টাল ৩ হাজার ৫০০ রুপি এবং আখ চাষিদের জন্য ৪ হাজার ৫০ রুপি ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদানের প্রস্তাব করেছে।

এনডিটিভির বিশ্লেষণ
নির্বাচনের ঠিক আগে কংগ্রেস নিজেকে একটি সুশৃঙ্খল দল হিসেবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়। যেখানে বড় ভূমিকা রাখেন ইন-চার্জ দীপা দাশমুন্সি। এরপরই শুরু হয় পিনারাই বিজয়ন সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক প্রচার।

কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ বলেন, “কেরালার সাধারণ মানুষ আমাদের যে বিপুল জনসমর্থন দিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এটি এলডিএফ সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট রায়। গত ডিসেম্বরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলেরই প্রতিফলন ঘটেছে এই বিধানসভা নির্বাচনে।”

সামনেই আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাডু, কেরালা ও পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট। বিজেপি বিভাজনের রাজনীতিকে পুরোমাত্রায় কাজে লাগাচ্ছে। সঙ্গে থাকছে দলবদলের অংকও। কারণ বিজেপি নেতারা জানেন, ভারতের সাধারণ মানুষ মন থেকেই অসাম্প্রদায়িক।