
বৈশ্বিক পরিবর্তনের পালাবদল শুরু হয়েছে। এর ভবিষ্যৎই কোন দিকে? বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

শিপিং ডেটা বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান এলএসইজি এবং কেপলার-এর তথ্যমতে, বাহামার পতাকাবাহী ‘ফুওয়াইরিত’ নামক একটি এলএনজি ট্যাঙ্কার ১৮ মে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে, যা আগামীকাল মঙ্গলবার পাকিস্তানে পণ্য খালাস করবে।

প্রায়ই বলা হয়ে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো দেশের সঙ্গে সহজে ডিল করতে পারে না, যারা তাদের আনুষ্ঠানিক মিত্র বা বন্ধু নয়। আর ভারত সবসময় নিজের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বা সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করে এসেছে।

বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে পরাশক্তিগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা একটি পরিচিত আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চলতি মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের মাত্র কয়েক দিন পরেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনে পৌঁছান।

চীনের উত্তরাঞ্চলে একটি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে অন্তত ৮২ জন হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
চীনের কি কোনো সাম্রাজ্যবাদী খায়েশ আছে? যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কয়েক দিনের ব্যবধানে চীন সফর কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে? চীন কি হতে যাচ্ছে ভবিষ্যতের বিশ্বমোড়ল? ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে কেন পছন্দ করেন?

তিস্তা শুধু একটি নদী নয়, উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের জীবনরেখা। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এই নদীই হয়ে উঠেছে ভাঙন, বন্যা আর পানিসংকটের প্রতীক। আর সেই সংকট থেকে মুক্তির লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে এখনো গাছের নিচে বা মাটির ওপর দাগ কেটে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে ‘বাঘবন্দী’ খেলতে দেখা যায়। যদিও আজকাল এই দৃশ্য বিরল। অনেকেই ছেলেবেলায় এই খেলা খেলেছেন। প্রচণ্ড গরমে গাছের নিচে বসে খেলা হতো বাঘবন্দী। আবার বৃষ্টির দিন বাইরে অন্য কোনো খেলার সুযোগ না থাকলে ঘরের কোণা বা বারান্দায় বসেও

চীনের বেইজিংয়ে শুরু হয়েছে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যকার হাই-প্রোফাইল শীর্ষ সম্মেলন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের পরপরই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ায় এর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বিশ্বজুড়ে নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

ডলার বর্জন, জ্বালানির নতুন বাজার তৈরি এবং যৌথ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মস্কো ও বেইজিং কেবল নিজেদের অর্থনৈতিক সুরক্ষাই নিশ্চিত করছে না, বরং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে আমেরিকার একক আধিপত্যের বিপরীতে এক শক্তিশালী বিকল্প মেরু গড়ে তুলছে।

রাশিয়া চীনের মধ্যকার সম্পর্ক এক অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ বুধবার বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

একাধিক যুদ্ধের উদ্দেশ্য বিশ্ব ব্যবস্থায় তার হারানো প্রভাব ফিরিয়ে আনা। যুদ্ধই সেখানে একমাত্র সমাধান। তবে সাম্প্রতিককালের যুদ্ধ উপনিবেশ নিয়ে নয়। এ যুদ্ধ খনিজ সম্পদ এবং বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের যুদ্ধ। সেদিক থেকে যদি ভাবি তাহলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়তবা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

বর্তমানের পরিবর্তনশীল এবং চরম ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিপর্যস্ত বিশ্বব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক গতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে চীন ও রাশিয়ার মধ্যকার সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব এক অনন্য নোঙর হিসেবে কাজ করছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রত্যাশা

রাশিয়ার আছে বিপুল জ্বালানি, খনিজ, কৃষি সম্পদ ও নিরাপদ ভূখণ্ড। চীনের আছে বিশ্বের বৃহত্তম শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা, প্রযুক্তি, পুঁজি ও বিশাল বাজার। দুই দেশ আলাদা আলাদা শক্তির অধিকারী। কিন্তু একত্রে তারা একটি বড় কৌশলগত ব্লকে পরিণত হতে পারে। এই কারণেই পশ্চিমা উদ্বেগ বাড়ছে।

রাশিয়ার আছে বিপুল জ্বালানি, খনিজ, কৃষি সম্পদ ও নিরাপদ ভূখণ্ড। চীনের আছে বিশ্বের বৃহত্তম শিল্প উৎপাদন ক্ষমতা, প্রযুক্তি, পুঁজি ও বিশাল বাজার। দুই দেশ আলাদা আলাদা শক্তির অধিকারী। কিন্তু একত্রে তারা একটি বড় কৌশলগত ব্লকে পরিণত হতে পারে। এই কারণেই পশ্চিমা উদ্বেগ বাড়ছে।