
সিআইএ-র গোপন নথিতে দাবি করা হয়েছে যে, মার্কিন অবরোধ ও হামলা সত্ত্বেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং অর্থনৈতিক কাঠামো এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি নাকচ করে গোয়েন্দা তথ্যে দেখা যায়, ইরানের অধিকাংশ মোবাইল লঞ্চার অক্ষত আছে এবং তারা বিকল্প পথে বাণিজ্য সচল রেখেছে।

সেই যুদ্ধ থেকে রিয়াদ এই শিক্ষা পেয়েছে যে, আমেরিকা অজেয় নয়। তারা বুঝেছে, ওয়াশিংটন বা জেরুজালেমের ইচ্ছেমতো এই অঞ্চল যেকোনো সময় যুদ্ধের মুখে পড়তে পারে, যার চরম মূল্য দিতে হবে প্রতিবেশী দেশগুলোকেই।

বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা সংকেত জারি করে ভারত সফলভাবে একটি শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (ICBM) পরীক্ষা চালিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্র

নিকো ল্যাঞ্জের মতে, ইরান যুদ্ধের ফলে মার্কিন অস্ত্রাগার কমে যাওয়া ইউরোপের জন্য বড় দ্বিধা তৈরি করেছে। কারণ ইউরোপের পুনরস্ত্রীকরণ এখনও ধীর গতির এবং তারা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামের জন্য আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই উপসাগরীয় মিত্র কাতারের কাছে ৪ বিলিয়ন (৪০০ কোটি) মার্কিন ডলারের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার একটি বড় অংশ এখনো অব্যবহৃত রয়ে গেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’ এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নিজেদের শক্তিশালী ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

যুদ্ধবিমানসহ প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মন্ত্রিসভা। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জাপানের শান্তিবাদী সংবিধানে একটি বড় পরিবর্তন।

উত্তর কোরিয়ায় ফের সামরিক মহড়া! এবার নিখুঁত নিশানায় পাঁচটি হওয়াসং-১১এলএ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলেন কিম জং উন। নতুন ওয়ারহেড ও ক্লাস্টার বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতা পরীক্ষার এই ভিডিওতে দেখা গেছে কিমের সশরীরে উপস্থিতি। শত্রুপক্ষকে দমনে পিয়ংইয়ংয়ের এই নতুন কৌশল কতটুকু ভয়ংকর?

কমান্ডার মুসাভি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের এই পর্যায়ে হেরে গেছে। তারা হরমুজ প্রণালি, লেবানন এবং এই অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শেষের দিকে, বার বার এই দাবি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে আমেরিকার গোয়েন্দা তথ্য বলছে, গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার পরও ইরানের অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে। এ ছাড়া দেশটির রয়েছে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও।

ইরান জানে তারা সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ নয়। তাই তারা ‘আউটলাস্ট’ করার কৌশল নিয়েছে। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করা। তারা মনে করে, সময় যত যাবে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অস্ত্র ও সম্পদ ফুরিয়ে আসবে, আর তখন তারা ভালো শর্তে সমঝোতা করতে পারবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা শুরুর এক মাস পেরিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত প্রায় শেষের পথে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র।

ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পাল্লা প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার। ফলে চীনের মূল ভূখণ্ডের কিছু এলাকা এর আওতায় চলে আসে।

ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পাল্লা প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার। ফলে চীনের মূল ভূখণ্ডের কিছু এলাকা এর আওতায় চলে আসে।