Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

মাত্র ২ মাসেই ৬ ‘খুন’ মাফ?

অর্ণব সান্যাল

অর্ণব সান্যাল

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১: ০০
মাত্র ২ মাসেই ৬ ‘খুন’ মাফ?
আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত

দিনটি ছিল ঈদের ঠিক আগে আগে। এ দেশের মানুষ অপেক্ষা করছিল উৎসবকে আলিঙ্গন করার প্রস্তুতিতে। আমাদের এই বাংলাদেশে এমনিতেই সব মানুষের আন্দোলিত হওয়ার মতো উপলক্ষ কম আসে। তাই ঈদ আসে সাধারণ মানুষের কিছুটা খুশি থাকার, একটু নির্ভার থাকার নিশ্চয়তা নিয়ে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অথচ, মাসদুয়েক আগের ওই ঈদের সকালটি শুরু হয়েছিল ৬ নবজাতক শিশুর অকালমৃত্যুর ভার মনে চেপে। ঈদের আনন্দ অনেকটাই মাটি করে দিয়েছিল সেই ঘটনা। আর ওই ৬ নবজাতকের পরিবার ও স্বজনদের হৃদয়ের ভারের কথা নাইবা তুলি। শিশু হারানোর বেদনার সাথে আর কোনো দুঃখের তো তুলনা চলে না।

৬টি শিশু মারা গিয়েছিল কীভাবে? একটু সবিস্তারে স্মরণ করে নেওয়া যাক। রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঈদের আগের দিন তথা গত ২৭ মে ভোরে একসঙ্গে ছয় শিশু মরে গিয়েছিল। হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে এই শিশুদের মৃত্যু হয়। হাসপাতালের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন তখন জানিয়েছিলেন, ১১ শিশু গুরুতর অসুস্থ হয়েছিল। এর মধ্যে ৬ জন মারা যায়। সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো অভিযোগের আঙুল তোলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দিকে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছিল, সঠিক কারণ জানা যাবে তদন্তের পর।

পরে তদন্ত সরকারের তরফেই হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর মগবাজারের আদ–দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, আদ-দ্বীন হাসপাতালের গাফিলতিতেই ৬ শিশু মারা গেছে। পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার প্রমাণ পায় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
লাইসেন্স ফিরে পেল আদ-দ্বীন হাসপাতালAd-din hospital

ওই সময় তদন্ত কমিটির বরাত দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ২ নম্বর পোস্ট অপারেটিভ কক্ষটি মোটেও হাসপাতাল পরিচালনার উপযোগী ছিল না। ৯০০ বর্গফুটের ওই কক্ষে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ উপস্থিত ছিল। দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকা এবং কোনো বিকল্প ভেন্টিলেশন না থাকায় কক্ষটিতে অক্সিজেনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বেড়ে যায়, যা নবজাতকদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব ছিল না। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে সেই ৬ নবজাতকের মৃত্যুর পেছনে ছিল হাসপাতালের চরম অব্যবস্থাপনা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ২ নম্বর পোস্ট অপারেটিভ কক্ষটি মোটেও হাসপাতাল পরিচালনার উপযোগী ছিল না। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ২ নম্বর পোস্ট অপারেটিভ কক্ষটি মোটেও হাসপাতাল পরিচালনার উপযোগী ছিল না। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

পরে এ ঘটনায় আদ্‌–দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে সরকার। এই ঘটনায় খুবই আশ্চর্যজনকভাবে শুরু হয় রাজনৈতিক বাহাস। আশ্চর্যজনক– এই শব্দটি ব্যবহার করতে হচ্ছে এই কারণেই যে, সরকারি তদন্তের পর একটি বেসরকারি হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করায় এ দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। নাহ, আরও কঠোর শাস্তির দাবিতে নয়। বরং এই লাইসেন্স বাতিল করা কেন অনুচিত, সেই মর্মে! লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত মোটেই সঠিক হয়নি—এমন মন্তব্যও পাওয়া গিয়েছিল বিরোধী দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে।

তো, ৬ শিশুর মৃত্যুর এই ঘটনায় মামলা হয়। অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যুর অভিযোগ এনে রমনা থানায় মামলা করেন মৃত এক নবজাতকের বাবা হাবিবুর রহমান। মৃত নবজাতকদের পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছিলেন, আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালে মারা যাওয়া ৬ শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দিতে সম্মত হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মৃত নবজাতকদের বয়স এক থেকে দুই দিন, যা দেখা গেল হাসপাতালের ওয়ার্ডেhospital inside ad-din

এরপর থেকে আদ্‌–দ্বীন হাসপাতাল বন্ধই ছিল, লাইসেন্স বাতিল অবস্থাতেই ছিল। অবশেষে গত ২৭ জুলাই তিনটি শর্তে লাইসেন্স ফেরত পায় রাজধানীর মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের দেওয়া অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। সরকারি তরফে বলা হচ্ছে, লাইসেন্স বাতিলের ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের করা আপিলের প্রেক্ষিতে একটি কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেয়। কমিটির দেওয়ার প্রতিবেদন সন্তোষজনক হওয়ায় তিন শর্তে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শর্ত ৩টি হলো—১. দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস অর্ডিন্যান্স ১৯৮২-এর নির্দেশনা প্রতিপালন অব্যাহত রাখতে হবে, ২. লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী ডিউটি ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং ৩. লাইসেন্সের শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এতটুকু জানার পর মনে হতেই পারে যে, নিশ্চয়ই গত ২ মাসে এমন কোনো বৈপ্লবিক উন্নয়ন ওই হাসপাতালটিতে ঘটেছে, যাতে করে অব্যবস্থাপনা আর থাকবে না বলেই মনে করে সরকারি কমিটি। হ্যাঁ, সদিচ্ছা থাকলে তো হতেই পারে। তবে হাসপাতালটির অব্যবস্থাপনা নিয়ে যে ধরনের প্রশ্ন উঠেছিল, সেগুলো যে আবার উঠবে না, তার কি গ্যারান্টি আছে? যে অর্ডিন্যান্সের নির্দেশনা প্রতিপালনের শর্ত দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে, সেটি যে কোনো বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরি স্থাপনের পূর্বশর্ত মূলত। ওটি না মানলে কেউ বেসরকারি হাসপাতাল বা ল্যাবরেটরি চালুই করতে পারবে না। অর্থাৎ একেবারে ন্যূনতম মান্যতা। তা সেটি কাগজে–কলমে মানার ঘোষণা দিয়েও তো মানছিলই না হাসপাতালটি। ওই কারণেই যে ৬ শিশুর মৃত্যু হলো, তা তো তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেই বোঝা যায়। তাহলে, শিশুদের মৃত্যুর মতো অপরাধের বিপরীতে কতটা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো আসলে? কেবলই দুই মাসের জন্য লাইসেন্স বাতিল? তাতেই ৬ ‘খুন’ মাফ?

আমাদের দেশের স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ এন্তার। চিকিৎসক নিয়ে আছে, চিকিৎসার ব্যবস্থা নিয়ে আছে। রোগীদের প্রতি অবহেলা নিয়ে তো আছেই। আবার এই দেশে জনসংখ্যা বেশি, জনপ্রতি চিকিৎসকের সংখ্যা ও অন্যান্য সুবিধাও অপ্রতুল বটে। বেসরকারি খাতে স্বাস্থ্যসেবাকে দেওয়ার অর্থ হলো, অন্তত যাদের পকেটের জোর কিছুটা হলেও আছে, তারা যেন সেটি পেতে পারে। এখন সেই খাতের মান বজায় রাখার স্বার্থেই সরকার অর্ডিন্যান্স করেছে। সেটিও না মেনে যখন অব্যবস্থাপনার কারণে নবজাতক শিশুদের প্রাণ যায়, তখন কি বেসরকারি স্বাস্থ্যকাঠামোর অতি লোভকেই দায়ী করা উচিত না? নাহলে টাকার বিনিময়েও কেন সঠিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য করুণাপ্রার্থী হতে হবে নাগরিকদের?

কিন্তু সেটিই হয়ে চলেছে। সরকার বেসরকারি স্বাস্থ্যকাঠামোকে নিয়মে বাঁধতে পারেনি, মান রক্ষায় কঠোরও হতে পারেনি। যদি হতে পারত, তাহলে এভাবে জন্ম নেওয়ার পর পরই বেসরকারি হাসপাতালে ওই ৬ শিশুর মৃত্যু হতো না। এখন এই ৬ শিশুর মৃত্যুর পরও যদি সরকার কঠোর হতে না পারে সেভাবে, অব্যবস্থাপনা হলে কঠোর ব্যবস্থার মুখোমুখি করার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে না পারে, তাহলে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা থামবে কীভাবে? বেসরকারি উদ্যোক্তারা দেখতেই তো পাচ্ছেন যে, মাত্র জন্ম নেওয়া শিশুদের মেরে ফেললেও দুই মাসের মধ্যেই আবার ব্যবসায় ফিরে আসা যায়! তাহলে আর তারা ‘সিরিয়াস’ হবে কেন?

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, রাজধানীর মগবাজারের আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আসলে সরকারি তরফ থেকে এই বার্তাই এলো যে, ‘গায়ে জোর’ থাকলে স্বাস্থ্যখাতের বেসরকারি উদ্যোক্তারা যা খুশি তাই করেও ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে! সুযোগ তাদের জন্য অবারিত ও অসংখ্য। সাধারণের ভোগান্তি কিংবা অকালে স্বজন হারানো সেখানে কোনো বাধা হতে পারবে না।

তা ‘যেমন খুশি তেমন চালানো’র এমন নীতির এই দেশে তবে কীভাবে স্বাস্থ্যকাঠামোয় শৃঙ্খলা আসবে? কোনো কিছুই তো আর আকাশ থেকে টুপ করে পড়বে না বা আলাদীনের চেরাগের দৈত্য ‘চাহিবামাত্র’ সরবরাহ করবে না, তাই না?

হয়তো আমাদের দেশের কর্তাব্যক্তিরা সেই ভরসাতেই আছেন। আর বাচ্চা হারানো ওই ৬ মা আছেন কেবলই চোখের জলের ভরসায়। একমাত্র অবিরত কান্নাই যে তাদের মনের ক্ষততে কিছুটা হলেও উপশমের সঞ্চার করতে পারে। সব সম্ভবের এই দেশে তাদের আর কিইবা করার আছে, শুধু কাঁদা ছাড়া?

লেখক: বার্তা সম্পাদক, চরচা

বিষয়: ঈদশিশু মৃত্যুনবজাতকরাজধানীসরকারঢাকা বিভাগখুন
সর্বশেষ
  • ১

    তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা তুলেছেন

  • ২

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

  • ৩

    বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান: শামা ওবায়েদ

  • ৪

    হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ: রয়টার্স

  • ৫

    পেরুতে ‘৬০০ বছরের’ অক্ষত সমাধির সন্ধান

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া