Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

রানা প্লাজার ১৩ বছর: শ্রমিকের জীবনের মূল্য বেড়েছে কতটুকু

রিতু চক্রবর্ত্তী

রিতু চক্রবর্ত্তী

প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ১১
রানা প্লাজার ১৩ বছর: শ্রমিকের জীবনের মূল্য বেড়েছে কতটুকু

দ্রুত গতিতে হর্ন বাজিয়ে চলে যাচ্ছে বাস। ব্যস্ত মানুষের চলাচল, কোথাও তাকানোর ফুরসৎ নেই। সাভার। এই রাস্তার পাশেই এই যে মুষ্টিবদ্ধ হাত। কে তাকাবে এর দিকে? কার এত সময়?
এই মুষ্টিবদ্ধ হাত যে কথা বলতে চায়–তা শুনবার কান কারও নেই! ১,১৩৬ মরদেহ। পিষ্ট, ভেঙে যাওয়া, গলিতও কেউ কেউ। অধরচন্দ্র বিদ্যালয়। মনে পড়ে? এই ১,১৩৬ সৌধ হয়ে গেছে। পরিত্যক্ত, প্রায় অলক্ষ্যে থাকা এক সৌধ। শ্রমিকদের কে আর মনে রাখে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নাজিম হিকমত বলেছিলেন, বিংশ শতাব্দীতে শোকের বয়স বড়জোর এক বছর। আর এ তো এখন একবিংশ শতাব্দী। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। শোক ও স্মরণ এখন শুধু একটা ক্ষণিকের স্ট্যাটাসের ব্যাপার।

শোক নেই। ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু স্মরণ হয়তো কেউ কেউ করবে। কেউ তবু রানা প্লাজার নামটা নেবে। মনে করিয়ে দেবে হয়তো–এই আজকের এই দিনেই প্রচণ্ড অবহেলা ও উপেক্ষায় কর্মমুখর ১১৩৬ শ্রমিক পিষ্ট হয়ে মরে গিয়েছিল।

প্রাকৃতিক দূর্যোগের দেশ বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে মানবসৃষ্ট যত ট্র্যাজেডি ঘটে গেছে, তার একেবারে শুরুর দিকে থাকবে ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ভবন ধস। একে একে ১৩ বছর পার হয়ে গেছে। ১৩ বছর পার হয়ে গেলেও এই বিপর্যয়ের উল্লেখমাত্র নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের যে কারোর জন্যই যেন এক বিশাল অস্বস্তি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কারো কারোর মতে বাংলাদেশ তো এরপরে অনেকটা পথ পেরিয়েছে, দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে শিল্পক্ষেত্রে। এতে অবশ্য দ্বিমতের সুযোগ নেই যে, দৃশ্যমান পরিবর্তন অবশ্যই হয়েছে। শুধু তৈরি পোশাক খাতেই দেখানো যাবে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন। এই যেমন, আগের চেয়ে কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরির সংখ্যা বা গ্রিন ফ্যাক্টরির সংখ্যা বেড়েছে।

তৈরি পোশাক খাতের অগ্নি, বিদ্যুৎ এবং ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তায় দৃশ্যত ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। তবে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়টি আজও চরমভাবে উপেক্ষিত। এমনকি একটি মামলাতেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত রায় দিতে পারেনি কোনো আদালত। দুর্ঘটনার পর জরুরি মানবিক সাহায্য মিললেও ইতিহাসের এই ভয়াবহতম বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা আইনিভাবে প্রাপ্য প্রকৃত ক্ষতিপূরণ থেকে এখনো বঞ্চিত।

আজকের এই দিনেই প্রচণ্ড অবহেলা ও উপেক্ষায় কর্মমুখর ১১৩৬ শ্রমিক পিষ্ট হয়ে মরে গিয়েছিল। ছবি: চরচা
আজকের এই দিনেই প্রচণ্ড অবহেলা ও উপেক্ষায় কর্মমুখর ১১৩৬ শ্রমিক পিষ্ট হয়ে মরে গিয়েছিল। ছবি: চরচা

রানা প্লাজার ঘটনায় ১,১৩৬ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। আরো ২,৪৩৮ জন হয়েছেন পঙ্গু। সেইসাথে এই ঘটনায় বেঁচে ফেরাদেরকে জীবনভর ট্রমার মধ্যে রেখে গেছে। এদের একজন জীবন নাহার। রানা প্লাজা ট্রাজেডির স্মৃতি এখনো তার চোখে স্পষ্ট ভাসে। চরচাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এখনো ওই দিনের কথা মনে পড়লে দু–এক রাত ঘুমাতে পারি না। চোখ বন্ধ করলেই মনে হয়, আবারও ধসে পড়ছে সবকিছু।”

এখন প্রশ্ন হলো এত কিছু পরিবর্তনের যে দাবি করা হয়, তার মধ্যে আদৌ কি কোনো সারবস্তু আছে? ঠিক আগের বছর, মাসের হিসাবে ৬ মাসও হবে না–তাজরিন ফ্যাশনসে অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক শ্রমিক নিহত হয়, আটকা পড়ে, শুধু জরুরি নির্গমণ পথে কলাপসিবল গেট বন্ধ থাকার কারণে। তখনো সবাই খুব গম্ভীর মুখ করে বসেছিল। শ্রমিকদের দাবির বিপরীতে একের পর এক এসেছিল সরকারি প্রেসনোট, শোকবার্তা। কিন্তু কিছুই বদলায়নি। এই না বদলানোর প্রমাণ রয়েছে রানা প্লাজার হাজারের বেশি মৃত চোখে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শ্রমিক নেতা জলি তালুকদারের বলেন, “তাজরিন গার্মেন্টসের মালিক তো গেট বন্ধ করে দিয়েছিল।”

কেবল জ্বালানি নয়, বাড়ছে জীবনের খরচbus

রানা প্লাজা তাই শুধু রানা প্লাজা নয়। ১৩ বছরেও এমন বেশ কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, যা সত্যিই কোনো পরিবর্তন হলে ঘটার কথাই নয়। কিন্তু ঘটছে। নিয়মিত বিরতিতেই। এবং প্রাথমিক উত্তেজনা ও আহাজারির পর কারো কোনো রা ছাড়াই।

এ নিয়ে  জলি তালুকদার বলেন, “সরকারের সাথে মালিকদের একটা ঘনিষ্ট সমন্বয় থাকে। ঘটনাগুলো ঘটার পর যে ধরনের শাস্তি পাওয়ার কথা, তারা তা পায় না। তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। সবাই এক ধরনের জামিন পেয়ে গেছে। তাজরিনের বেলায় বারবার বলেছে সাক্ষি নেই। অথচ তাজরিনের শ্রমিকেরা কিন্তু প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘদিন লড়াই করেছে।” জলির ভাষায়–এটা সরকারের একটা চরম গাফিলতির বিষয়।

একই প্রশ্নে উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ মাহা মির্জা বলেন, “সরকারের ভেতরেই তো প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা থাকেন।”

দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বর্তমানে রানা প্লাজা সংক্রান্ত মোট ১৪টি মামলা ঝুলে আছে। কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই) ভবন ও কারখানা মালিকসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে ১১টি মামলা করেছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে ১১ জনই পলাতক, আর বাকি তিনজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালে করা তিনটি ফৌজদারি মামলার বিচারকাজও ঝুলে আছে। রাজউকের করা একটি মামলা বর্তমানে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন। দণ্ডবিধির অধীনে করা অন্য দুটি মামলার চার্জশিট জমা হলেও কার্যক্রম পরবর্তী তারিখের অপেক্ষায় থমকে আছে।

প্রাকৃতিক দূর্যোগের দেশ বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে মানবসৃষ্ট যত ট্র্যাজেডি ঘটে গেছে, তার একেবারে শুরুর দিকে থাকবে ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ভবন ধস। ছবি: চরচা
প্রাকৃতিক দূর্যোগের দেশ বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে মানবসৃষ্ট যত ট্র্যাজেডি ঘটে গেছে, তার একেবারে শুরুর দিকে থাকবে ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ভবন ধস। ছবি: চরচা

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও বাংলাদেশে বিদ্যমান শ্রম আইন আমাদের শ্রমিকদের তাহলে কী সুরক্ষা দিচ্ছে–এই প্রশ্নে মাহা মির্জা বলেন, “আইন থাকলেও যে আইনের প্রয়োগ হয় না, তার ক্ল্যাসিক এক্সামপল বাংলাদেশ। কোনো সরকারই পারেনি কারণ, ব্যবসায়ীরা খুবই প্রভাবশালী।”

জলি তালুকদার মনে করেন শ্রমিকদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আইএলও কনভেনশন ঠিক থাকলেও বাংলাদেশের শ্রম আইন পর্যাপ্ত নয়। তিনি জানান, আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী কোনো শ্রমিক যদি ২৫ বছর বয়সে কারখানায় নিহত হয়, তাহলে তিনি তার কর্মক্ষমতা যত বছর থাকার কথা, সে অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাবে। কিন্তু দেশে বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী সেই ক্ষতিপুরণের পরিমাণ অনেক কম।

ট্রেড ইউনিয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এমনও হয় যে, তারাই ট্রেড ইউনিয়নের অনুমতি পায়, যারা মালিকপক্ষের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।” এ ক্ষেত্রে আবার শ্রম আইন আমাদের সংবিধানের সাথেও সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, “সংবিধান সংগঠিত হওয়ার অধিকার দেয়। কিন্তু শ্রম আইন অনুযায়ী কোনো ফ্যাক্টরির ২০ শতাংশ শ্রমিক না হলে তারা ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করতে পারে না। আবার যে কয়েক হাজার ট্রেড ইউনিয়ন আছে, তাদের অধিকাংশেরই গনতান্ত্রিক চর্চা নাই। বড় ফ্যাক্টরিতে ট্রেড ইউনিয়নের কোনো ফাংশন নেই, ছোটোগুলোর কথা তো বাদই দিলাম।”

জনবল, রি-এজেন্ট নেই, নষ্ট যন্ত্র–ক্যানসার হাসপাতালকে বাঁচাবে কে?jatio cancer hospital

এতকিছুর পরও আমাদের শ্রমিকরা নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে পারে না। আর তার প্রমাণ আমরা দেখি প্রতিটা ঘটনার পর। ঝুকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করতে তারা বাধ্য হয়। এই জায়গায় তারা কোনো ধরনের ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয় কি না, জানতে চাইলে মাহা মির্জা বলেন, “আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় উদ্বৃত্ত শ্রম থাকায় শ্রমিকরা কাজ নিয়ে অনিরাপত্তায় থাকে। শ্রমিকেরা ছাটাইয়ের ভয়ে তটস্থ থাকে।”

বাংলাদেশে যেহেতু চাকরি অত্যন্ত দুর্লভ, তাই শ্রমিকরা তাদের অধিকার আদায়ে আওয়াজ তুলতে ভয় পায়। মাহা মির্জা বাংলাদেশের কর্ম পরিবেশকে ‘শ্রমিক অবান্ধব পরিবেশ’ বলেন।

যা হোক, ফিরে যাই রানা প্লাজার ঘটনায়। দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়, রানা প্লাজার পর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা পড়া ১২৭ কোটি টাকার মধ্যে বড় একটি অংশের (প্রায় ৮৫ কোটি টাকা) কোনো হদিস আজও মেলেনি।

শ্রম আইন ২০০৬-এ মৃত্যুর জন্য মাত্র ২ লাখ এবং স্থায়ী পঙ্গুত্বের জন্য আড়াই লাখ টাকার যে সীমা রয়েছে, তা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত নগণ্য। তখন থেকে ২০ বছরে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম, বেড়েছে জিডিপি। এমনকি বেড়েছে জীবনযাত্রার মান। কিন্তু শ্রমিকের জীবনের দাম ২০ বছরেও বাড়েনি। আর তাই হয়তো কাঠামোগত হত্যার শিকার শ্রমিকদের স্মৃতিতে সাভারে নির্মিত স্মৃতি সৌধও অযত্নে পড়ে থাকে।

বিষয়: রাজধানীমৃত্যুঢাকাসাভারপোশাক কর্মীপোশাক শ্রমিকশ্রমিকঅপরাধরানা প্লাজা
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া