Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

কুয়েতে সমস্যায় ৮০ বাংলাদেশি শ্রমিক, সমাধানে কাজ করছে দূতাবাস

জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০২: ০৬
কুয়েতে সমস্যায় ৮০ বাংলাদেশি শ্রমিক, সমাধানে কাজ করছে দূতাবাস

কুয়েতে ক্লিনটি জেনারেল ট্রেডিং অ্যান্ড ক্লিনিং কোম্পানিতে কর্মরত ৮০ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দূতাবাস কাজ করছে বলে জানিয়েছেন, দূতাবাসের মিনিস্টার (শ্রম) আবুল হোসেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) এ প্রতিবেদক তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘ওই শ্রমিকেরা দূতাবাসে এসেছিলেন। তাদের কথা শুনেছি এবং সব সমস্যা সমাধান করে দেওয়া হয়েছে।’

প্রবাসীদের সব ধরনের সমস্যা খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়, উল্লেখ করে আবুল হোসেন বলেন, ‘ক্লিনটি কোম্পানির ৮০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মে বিরতি দিয়ে ৭ জানুয়ারি দূতাবাসে আসেন। তখন তারা একাধিক সমস্যা ও দাবির কথা জানান দূতাবাসকে। সেগুলো হলো—নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার পর অতিরিক্ত সময় কাজ না করার সুযোগ, সিভিল আইডি পাইয়ে দেওয়া এবং বেতন প্রতি মাসের ১০ তারিখের আগেই পরিশোধ করা। এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। যাতে তারা রিক্রুটিং এজেন্সির কাছ থেকে ভিসার মূল্য ফেরত নিতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্লিনটি কোম্পানির শ্রমিকেরা যেদিন দাবিগুলো নিয়ে দূতাবাসে আসেন, সেদিন ওই কোম্পানির নিয়োগকর্তা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সেদিন মালিকপক্ষের কাছে শ্রমিকদের দাবিগুলো তুলে ধরি। যদিও শুরুর দিকে সেগুলো মানার ক্ষেত্রে তাদের অনাগ্রহ ছিল, পরে তারা মেনে নেন।’

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আবুল হোসেন বলেন, ‘সমস্যা সমাধানের পর স্বভাবতই শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার কথা। কিন্তু সেদিনই ওই শ্রমিকেরা স্থানীয় পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার অফিসে গিয়ে একই অভিযোগ করেন। ফলে, এখন বিষয়টি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে। এ ছাড়াও তারা কর্মবিরতি করছেন, যেটি স্থানীয় আইনে সম্পূর্ণ নিষেধ।’

বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়োগকর্তা ও শ্রমিকদের মধ্যেকার সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার পরও কেন শ্রমিকেরা পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার অফিসে গেলেন, সে প্রশ্ন তুলেছেন আবুল হোসেন।

এদিকে, ক্লিনটি কোম্পানির বাংলাদেশি শ্রমিকেরা ৭ জানুয়ারি এ প্রতিবেদককে তাদের নানা সমস্যার কথা জানান। পরে ৯ জানুয়ারি কয়েকজন শ্রমিক জানান, শ্রমিকদের স্বার্থে দূতাবাসের নেওয়া সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। পরবর্তী সময়ে পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার অফিসে গিয়ে অভিযোগ করা ঠিক হয়নি।

তারা জানান, ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে কোম্পানির নিয়োগকর্তা শ্রমিকদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা যেন ১০ জানুয়ারি দুপুরের দিকে প্রস্তুত থাকেন। কারণ, তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ার টিকেট নেওয়া হয়েছে।

পরদিন ১১ জানুয়ারি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে ক্লিনটি কোম্পানির শ্রমিকেরা জানান, ওই কোম্পানির নিয়োগকর্তার প্রতিনিধিরা কোম্পানির ব্যারাকে এসে প্রত্যেকের হাতে পদত্যাগপত্র দিয়ে বলেছেন সেটিতে স্বাক্ষর দিতে। কিন্তু তারা ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ করে কুয়েতে এসেছেন। তারা এই মূহূর্তে স্বেচ্ছায় দেশে যেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কোম্পানি যেকোনো সময় তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ৮০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক।

এ প্রতিবেদক দূতাবাসের শ্রম কর্মকর্তা আবুল হোসেনকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, ‘দূতাবাস তার দায়িত্বের জায়গা থেকে প্রবাসীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রবাসীদের প্রত্যাশা অনেক। সব সময় হয়তো প্রত্যাশা শতভাগ পূরণ করা সম্ভব হয় না।’

তিনি বলেন, “ক্লিনটি কোম্পানির ব্যাপারে শুরু থেকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার ও শনিবার অফিস বন্ধ। রোববারে শ্রমিকদের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুয়েত বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। এ দেশে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ধ ছিল। বর্তমানে লামা করে অর্থাৎ বিশেষ অনুমোদন নিয়ে ভিসা পেতে হয়। ফলে, বাংলাদেশি ভিসা ব্যবসায়ীরা চড়া মূল্যে ভিসা বিক্রি করছেন এবং যারা কুয়েতে আসছেন, তাদের খরচ হচ্ছে ৭ থেকে ৯ লাখ টাকা।

কয়েকজন শ্রমিক জানিয়েছেন, বেদু ফিরোজ নামে একজন কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ভিসা নিয়ে তারা কুয়েতে এসেছেন। প্রতিটি ভিসার দাম নেওয়া হয়েছে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা।

কিছুদিন আগে বেদু ফিরোজকে ভিসা জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে কুয়েত প্রশাসন। পরে তাঁকে কুয়েতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে বেদু ফিরোজের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

বিষয়: কুয়েতবাংলাদেশ দূতাবাসমিনিস্টার (শ্রম)প্রবাসী বাংলাদেশিপ্রবাসী
সর্বশেষ
  • ১

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ২

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৩

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৪

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

  • ৫

    ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।