
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে দেশটির রাজধানীর নয়াদিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স নয়াদিল্লি থেকে এ খবর দিয়েছে।
বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মনমোহন সিং দুই মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এর আগে তিনি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে ভারতের অর্থনীতিতে সংস্কারের ক্ষেত্রে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।
রাজনীতিতে আসার আগে মনমোহন সিং ছিলেন ভারতের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) গভর্নরও ছিলেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মনমোহন সিংকে নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাওয়ের (১৯৯১-৯৬) সরকারে অর্থমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। মূলত এর পর থেকে তিনি দেশটির রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। অর্থমন্ত্রী থাকাকালে মনমোহন সিং ভারতের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে দেশটির অর্থনীতি নতুন পথে যাত্রা করে।
মনমোহন সিং ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। চলতি বছরের শুরুর কয়েক মাস পর্যন্ত তিনি দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। গত এপ্রিলে তিনি রাজ্যসভা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।