Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে থামেনি গোলাগুলি, নিহত বেড়ে ১৬

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৫, ১৫: ১২
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে থামেনি গোলাগুলি, নিহত বেড়ে ১৬

সীমান্তবর্তী বিতর্কিত এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো গোলাগুলি চালিয়ে যাচ্ছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। সবশেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত দুদিনের এই সংঘাতে নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। নিহতদের ১৫ জন থাইল্যান্ডের নাগরিক এবং ১ জন কম্বোডীয়। যুদ্ধের মাত্রা ও পরিধি যাতে না বাড়ে সে লক্ষ্যে আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।

রয়টার্সের তথ্যমতে, নিহতদের সবাই থাইল্যান্ডের নাগরিক, যাদের মধ্যে ১৪ জনই বেসামরিক। ২ দিনের এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছে আরও ৪৬ জন। আহতদের মধ্যেও বেশির ভাগ বেসামরিক নাগরিক। এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী। হতাহত কমাতে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর প্রায় দেড় লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা নিকটবর্তী ৩০০ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

এদিকে, চলমান সংঘাতে কম্বোডিয়ায় কতজন হতাহত হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১ জন নিহত ও ৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। দেশটির সীমান্তবর্তী ওডার মিনচি প্রদেশের স্থানীয় সরকার জানিয়েছে, ওই অঞ্চলের প্রায় দেড় হাজার পরিবারকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এ সংঘাতকে গত এক দশকে ২ দেশের মধ্যে হওয়া সবচেয়ে বড় সংঘাত বলে অভিহিত করা হচ্ছ।

গতকাল বৃহস্পতিবার, স্থানীয় সময় সকালে বিতর্কিত তা মোন থম মন্দির ঘিরে সংঘর্ষে জড়ায় উভয় পক্ষ । ওই সংঘর্ষে সকালেই নিহত হয় থাইল্যান্ডের ২ বেসামরিক নাগরিক। এর জেরে কম্বোডিয়া থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে নেয় থাইল্যান্ড। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কম্বোডীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারেরও। হামলার পরপরই থাই কর্তৃপক্ষ জানায়, কম্বোডিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ‘সর্বনিম্ন পর্যায়ে’ নামিয়ে আনছে তারা। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে কম্বোডিয়াও তাদের সব কূটনীতিককে থাইল্যান্ড থেকে ফিরিয়ে নেয় এবং থাই কূটনীতিকদেরও দেশত্যাগের নির্দেশ দেয়।

এরপর সীমান্তে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে থাই কর্তৃপক্ষ। এর কিছুক্ষণ পরই ওই যুদ্ধবিমান থেকে কম্বোডীয় ভূখণ্ডে বোমা হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপরই আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় নমপেন।

কম্বোডিয়ায় হামলার ব্যাপারে থাইল্যান্ড পরে জানায়, তারা ৬টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান প্রস্তুত রেখেছিল। পরে কম্বোডিয়ার ২টি আঞ্চলিক সামরিক সদর দপ্তর ‘ধ্বংসেরও’ দাবি করে তারা। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কম্বোডিয়া তাদের বিবৃতিতে থাইল্যান্ডের কর্মকাণ্ডকে ‘নৃশংস, বর্বর ও সহিংস সামরিক আগ্রাসন’ বলে আখ্যা দেয়।

গত মে মাসেও দুই দেশের সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনায় এক কম্বোডীয় সেনা নিহত হয়।

দুই প্রতিবেশীর মধ্যে চলমান এই সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মহল। যুদ্ধ বন্ধে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে চায় চীন। উদ্বেগ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। ২ পক্ষকে সংযম দেখিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলোর জোট। এ ছাড়া, অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স।

উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছে এমারাল্ড ট্রায়াঙ্গল নামের একটি অঞ্চল নিয়ে। থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওস—৩ দেশের সীমান্ত এই এলাকায়। প্রাচীন মন্দির প্রেহা ভিহিয়ার মন্দিরও এখানেই অবস্থিত। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। তবে, বহু বছর ধরে এই সীমান্তরেখা কোথায় হবে তা নিয়ে একমত হতে পারেনি তারা। একাধিক এলাকায় কয়েক কিলোমিটার সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে এখনো দ্বন্দ্ব আছে।

১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এই বিতর্কের নিষ্পত্তি করতে রায় দেয় যে, ঐতিহাসিক প্রমাণ ও মানচিত্রের ভিত্তিতে প্রেহা ভিহিয়ার মন্দিরটি কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডে অবস্থিত। এই রায় কম্বোডিয়া স্বাগত জানালেও থাইল্যান্ডে তা ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। ২০০৮ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে এই নিয়ে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয় ২ পক্ষের মধ্যে, ঘটে প্রাণহানিও। পরে ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত আবারও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, শুধু মন্দিরটিই নয়, এর চারপাশের বিতর্কিত ভূখণ্ডও কম্বোডিয়ার। তবে সেই রায়ও যে দ্বন্দ্বের নিষ্পত্তি করতে পারেনি—চলমান সংঘাতে তা আবারও স্পষ্ট হলো।

বিষয়: কম্বোডিয়াথাইল্যান্ডসীমান্তজাতিসংঘজাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদসংঘর্ষ
সর্বশেষ
  • ১

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ২

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৩

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৪

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

  • ৫

    ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।