
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
এক সময় কানাডায় পাড়ি জমাতে চাইত অনেকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া ও ভিসা কমিয়ে দেওয়ার কারণে সেই আগ্রহ কমেছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে এবার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কানাডা সরকার। দেশটিতে বেসরকারী খাতে চাকরি করা কর্মকর্তা কর্মচারীদের ন্যূনতম বেতন বাড়ানো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর দিয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অরুযায়ী, কানাডার কর্মসংস্থান, কর্মশক্তি উন্নয়ন ও শ্রম মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এই ঘোষণা দিয়েছে। এতে বলা হয়, ফেডারেল ন্যূনতম মজুরির হার বাড়ানো হয়েছে। আগে এটি ছিল ঘণ্টাপ্রতি ১৭ দশমিক ৩০ কানাডীয় ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৪৮২ টাকা)। এখন তা করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৭৫ কানাডীয় ডলার ( বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার ৫২১ টাকা)।
গত ১ এপ্রিল থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানান কানাডার কর্মসংস্থান, কর্মশক্তি উন্নয়ন ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্টিভেন ম্যাককিনন। তবে দেশটিতে ফেডারেলভাবে নিয়ন্ত্রিত বেসরকারি খাতে চাকরি করা কর্মকর্তা কর্মচারীরা এই সুবিধা পাবেন।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রী স্টিভেন ম্যাককিনন বলেন, ‘ফেডারেল এই ন্যূনতম মজুরি কানাডীয় কর্মী এবং ব্যবসা–উভয়ের জন্য স্থিতিশীলতা এবং নিশ্চয়তা নিয়ে আসবে এবং আয় বৈষম্য কমাতে সাহায্য করবে। আজকের এই বৃদ্ধি আমাদেরকে আরও ন্যায্য অর্থনীতি গড়ে তোলার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।’

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।