
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহে বসবাসরত এক প্রবাসী বাংলাদেশি জিতেছেন বিগ টিকিটের ড্রিম কার পুরস্কার। সিরিজ ২৭৯-এর ড্রতে তিনি পেয়েছেন একেবারে নতুন রেঞ্জ রোভার ভেলার গাড়ি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আজ রোববার (৫ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয়।
বিজয়ী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আহমদ নবী (৪৩) প্রায় ২৫ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। তিনি বর্তমানে শারজাহের একটি যন্ত্রাংশের দোকানে কাজ করেন। গত ৩-৪ বছর ধরে তিনি ১০ জনের একটি গ্রুপের সঙ্গে মিলে বিগ টিকিট কিনে আসছিলেন। তবে এবার ড্রিম কার সিরিজে একাই অংশ নিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর কেনা ০২২১১৮ নম্বর টিকিটে ভাগ্য খুলে যায়।
নবী জানান, বিজয়ের খবর শোনার পর তিনি আনন্দে অভিভূত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমি ভীষণ খুশি হয়েছিলাম। এখনো ঠিক করিনি গাড়িটি কীভাবে ব্যবহার করব, তবে জানি এটি আমার ভাগ্যেই লেখা ছিল।’
নবী বর্তমানে শারজাহে একা থাকেন, আর তার পরিবার রয়েছে বাংলাদেশে। কাকতালীয়ভাবে একই ড্রতে শারজাহর আরেক বাংলাদেশি প্রবাসী হারুন সরদার নূর নবী সরদার জিতেছেন ২ কোটি দিরহামের জ্যাকপট পুরস্কার।
তবে এখানেই থামতে চান না নবী। বরং তিনি জানালেন, ড্রিম টিকিট কেনা চালিয়ে যাবেন। ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আমি কিনতে থাকব। অন্যদের জন্য আমার পরামর্শ হলো—চেষ্টা চালিয়ে যান, একদিন না একদিন ভাগ্য আপনার সঙ্গেও যোগ দেবে।’
নবীর ক্ষেত্রে ভাগ্য অবশেষে স্টিয়ারিং হুইলের আড়াল থেকে হাসি ফুটিয়েছে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।