
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
ইউরোপের জনপ্রিয় লটারি প্রতিযোগিতা ‘ইউরোমিলিয়নস’ ব্রিটিশ টিকিটধারীদের হতাশ করে জিতে নিয়েছেন এক অস্ট্রিয়ান। ব্রিটিশ টিকিটধারীদের হতাশ হওয়ার কারণ হলো, এবারের জ্যাকপটের অর্থের পরিমাণ ছিল এখন পর্যন্ত সর্বকালের সবচেয়ে বেশি। এবার যিনি জ্যাকপট জিতেছেন তিনি পাবেন ২৭ কোটি (ইউএস) ডলারেও বেশি।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের।
খবরে বলা হয়েছে, অস্ট্রিয়ার লটারি অপারেটর জানিয়েছে—ইউরোমিলিয়নস চালুর পর থেকে এই নিয়ে মোট ১৯ বার অস্ট্রিয়ানরা এই জ্যাকপট জিতলেন। গত মঙ্গলবার ২৩৫ মিলিয়ন ডলারের জ্যাকপট কেউ না জেতায় শুক্রবারের ড্রয়ের পুরস্কার আরও বেড়ে যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই এক ব্যক্তি ২৫ কোটি ডলারের লটারি জিতেছিলেন। তবে এবারে সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। তারও আগে, ২০২২ সালের মে মাসে গ্লচেস্টারের জো এবং জেস থোয়েট প্রায় ২৪ কোটি ডলারের লটারি জিতেছিলেন। জো থোয়েট তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, ‘সকালে ঘুম ভেঙে একটি ই-মেইল দেখতে পাই এবং জানতে পারি আমরা জিতেছি। প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি এবং কী করব তা বুঝতে পারছিলাম না।’ তাঁর স্ত্রী জেস থোয়েটও প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস করেননি।
এই জয় তাদের জীবনে বড় পরিবর্তন এনেছে। জেস থোয়েট বলেন, ‘এই জয় আমাদের স্বপ্ন দেখার সুযোগ করে দিয়েছিল, যা আগে ছিল না।
এই বিশাল জ্যাকপট হাতছাড়া হওয়ায় যুক্তরাজ্যের লটারি অংশগ্রহণকারীরা স্বাভাবিকভাবেই হতাশ। তাই এখন তাদের ইউরোমিলিয়নসের পরবর্তী ড্রয়ের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।