
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
মুম্বাইয়ে বান্দ্রার বাসভবনে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আহত সাইফ আলী খান বর্তমানে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর বোন সোহা আলী খান সম্প্রতি সাইফের স্বাস্থ্য বিষয়ে একটি আপডেট শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, সাইফ ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।
সোহা আলী খান বলেন, ‘আমরা আনন্দিত যে সে দ্রুত সেরে উঠছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত। সকলের শুভ কামনার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ এবং নিজেকে ধন্য মনে করছি।’
এর আগে সাইফের ছোট বোন সাবা পতৌদি এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তাঁর ভাইয়ের সাহসিকতার প্রশংসা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবা লিখেছেন, ‘এই ঘটনার শক কাটিয়ে উঠতে পারছি না। তবে ভাইজান, তোমার সাহস দেখে আমি গর্বিত। পরিবারকে আগলে রাখার এই মানসিকতা আব্বাকে গর্বিত করত। দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো। পাশে না থাকতে পেরে খারাপ লাগছে। তোমার জন্য সব সময় প্রার্থনা করছি।’
জানা গেছে, চুরির উদ্দেশ্যে সাইফের বাড়িতে ঢুকেছিল মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহজাদ নামের এক ব্যক্তি। বাড়ির গৃহপরিচারিকার সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডার সময় সাইফ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল নিতে গেলে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
রোববার সকালে মুম্বাই পুলিশ নিশ্চিত করেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অস্ত্রোপচার করে সাইফের শরীর থেকে ২.৫ ইঞ্চি দীর্ঘ একটি ব্লেড অপসারণ করা হয়। বর্তমানে তিনি ঝুঁকিমুক্ত অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁকে আইসিইউ থেকে সাধারণ কক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা চিকিৎসকেরা পর্যবেক্ষণ করছেন।
আরও পড়ুন

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।