
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
পশ্চিমা ও আরব সংস্কৃতির মিশেল ঘটিয়ে সৌদি আরবে যাত্রা শুরু হয় নারী রক মিউজিক ব্যান্ড সিরার। পাশ্চাত্যের সাথে দেশীয় সংস্কৃতির মিলন ঘটিয়েছেন তারা। ফলে তাদের গানগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে দর্শক-শ্রোতাদের মাঝে।
বার্তা সংস্থা এপি জানায়, সিরা ব্যান্ডের শুরুটা হয়েছিল রিয়াদের একটা আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড হিসেবে। সেখানেই তারা অনুশীলন করত। গত ৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে তাদের প্রথম অ্যালবাম। অসাধারণ গানের লাইন আর রক-আরব ফিউশনের কারণে রাতারাতি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে সিরা।
সিরা মিউজিক ব্যান্ডের প্রধান সঙ্গীতশিল্পী নোরা বলেন,‘ রক মিউজিক নিয়ে অনেকেরই ভুল ধারণা আছে। এর আলাদা একটা ধরন আছে। শুধু চিৎকার করলেই রক মিউজিক হয় না। সৌদি নারীরা নিজেদের উপযুক্ত বলে মনে করেন না। আমি চাই তারা তাদের প্রতিভা প্রকাশ করুক।’
আরবি সংস্কৃতিতে সিরা অর্থ জীবন। এই ব্যান্ডের মূল উদ্দেশ্য সৌদি নারীদের সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহী করা। ব্যান্ড সদস্যরা জানান, বিধিনিষেধ সত্ত্বেও পরিবাবের সমর্থন পেয়েছেন তারা।
২০০৮ সালে সৌদিতে দ্য একোলেড নামের আরও একটি নারী রক ব্যান্ড আত্নপ্রকাশ করেছিল। যাদের শুধুমাত্র আন্ডারগ্রাউন্ডেই গানের অনুমতি মিলেছিল। তবে এবার জনসম্মুখে গান গাওয়ার অনুমতি পেয়েছে সিরা।
ভিশন ২০৩০ সংস্কার পরিকল্পনার মাধ্যমে বেশ কিছু সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিবর্তন করছে সৌদি সরকার। কঠোর ইসলামিক শাসন ব্যবস্থাতেও এসেছে পরিবর্তন। বিশেষ করে নারীদের অধিকারের ব্যাপারে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।