
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
পশ্চিমবঙ্গে সদ্য মুক্তি পাওয়া নতুন দুই সিনেমায় টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে ভিন্নভাবে আবিষ্কার করেছেন দর্শক। সিনেমায় আইটেম গান ও অন্তরঙ্গ দৃশ্যে দেখা গেছে তাঁকে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন শ্রাবন্তী।

‘আড়ি’ ও ‘আমার বস’—দুই ছবিতেই আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছেন শ্রাবন্তী। অনেক দিন পর ‘আড়ি’ ছবিতে আইটেম গানে নাচলেন শ্রাবন্তী। ইতিমধ্যেই শ্রাবন্তীর ‘ডাকাত পড়েছে’ আলোচিত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পাশাপাশি ‘আমার বস’ ছবিতে শ্রাবন্তী ধরা দিলেন সাহসী দৃশ্যে। অভিনেতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছবিতে শ্রাবন্তীর অন্তরঙ্গ মুহূর্ত নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। তাঁকে পর্দায় এর আগে এমন দৃশ্যে দেখা যায়নি।

শ্রাবস্তী বলছেন, এই দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে সংশয়ে ভোগেননি তিনি। ‘আমার বস’ ছবির ‘মালাচন্দন’ গানটিতে শ্রাবন্তী ও শিবপ্রসাদের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য রয়েছে। জয় গোস্বামীর লেখা ‘ঈশ্বর আর প্রেমিকের সংলাপ’ কবিতাটি নায়িকার পিঠে লিখলেন পরিচালক।

আনন্দবাজারে ভিডিও সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী বলেন, ‘এমন একটা গান নিজের ক্যারিয়ারে পেয়ে আমি আপ্লুত। শুধু তা-ই নয়, কাজটা করার সময় এক ফোঁটা অস্বস্তি হয়নি। আসলে পেশাদারদের দিয়ে পুরো কাজটা করা হয়। চুমু খেয়েই যে প্রেম নিবেদন হয় তা নয়, এভাবেও একটা প্রেমের মুহূর্ত বোনা যায়। তার জন্য শিবুদাদের গোটা টিমকে কুর্নিশ। তার ওপর জয় গোস্বামীর কবিতা, কী বলব আর।’
একইভাবে ‘ডাকাত পড়েছে’ গানটি দর্শকদের ভালো লাগছে দেখে খুশি শ্রাবন্তী।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।