
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
মালয়েশিয়ার সরকার পেট্রল স্টেশনে কর্মরত প্রবাসী কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা দিয়েছে। এখন থেকে বিদেশি কর্মীরা পেট্রল স্টেশনগুলোর ক্যাফে ও স্টোরে কাজ করতে পারবেন।
বুধবার (২০ নভেম্বর) দেশটির গণমাধ্যম জানায়, সরকার পেট্রল স্টেশন অপারেটরদের ক্যাফে এবং দোকান পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি দিতে নীতিগত সম্মত হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তটি ১৯৯৫ সালের স্বপরিষেবা কার্যক্রমের নিয়মাবলির পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে। তখন বিদেশি কর্মী নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তবে এখন পেট্রল স্টেশনে ক্যাফে, দোকান ও অন্য পরিষেবাগুলো চালু হওয়ায় নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের কারণে বিদেশি কর্মী কোটা বৃদ্ধি হবে না। শুধু পেট্রল স্টেশনে কাজ করা কর্মীদের মধ্যে থেকেই নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে।
দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন জানান, ২০২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক পর্যন্ত অতিরিক্ত বিদেশি কর্মী কোটার জন্য আবেদন স্থগিত থাকবে।
এদিকে, দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী স্টিভেন সিম বলেছেন, নতুন নিয়মে মালয়েশিয়ান পেট্রল ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের (পিডিএএম) মাধ্যমে সরাসরি কর্মী নিয়োগ এবং নিয়োগকর্তার স্থানান্তর করা যাবে। আগে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের দায়িত্ব ছিল এজেন্টদের, তবে এখন এটি পেট্রল স্টেশন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে থাকবে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।