
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
দুবাইয়ে জনপরিসরে গাড়ির পার্কিং ফি বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই তাদের গাড়িটি বিক্রি করে দিতে চাচ্ছেন। যেমন আরজান শহরে বসবাসকারী খালেদ হোসেন (ছদ্মনাম) নামের একজন মিশরীয় বলেন, গাড়ির পার্কিং ফি বেড়ে যাওয়ায় গত জুলাই থেকে তাঁর মাসিক খরচ অন্তত ৩০০ দিরহাম বেড়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে বছরে তাঁকে প্রায় ৪ হাজার অতিরিক্ত দিরহাম গুনতে হবে। এ জন্য তিনি তাঁর পরিবারের দ্বিতীয় গাড়িটি বিক্রি করার কথা ভাবছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস বলছে, আরজান ছাড়াও আরও পাঁটি গুরুত্বপূর্ণ পার্কিং স্পটে ফি বেড়েছে। সেগুলো হলো—জাদ্দাফ ওয়াটারফ্রন্ট, আল সুফৌহ গার্ডেন, দুবাই ল্যান্ড রেসিডেন্স কমপ্লেক্স, মাজান এবং লিওয়ান ১ ও ২।
খালেদ যে এলাকায় থাকেন, সেখানে পার্কিংয়ের জন্য প্রতি ঘন্টায় ৩ দিরহাম খরচ করতে হয়। তাঁর স্ত্রীর অফিস শেষ হয় সন্ধ্যা ৬ টায়। এই সময়ের জন্য প্রতিদিন তাঁকে পার্কিং ফি দিতে হয় ১২ দিরহাম। এভাবে সপ্তাহে ৮০, মাসে ৩২০ এবং বছরে প্রায় ৪ হাজার দিরহাম খরচ হবে তাঁর।
খালেদ বলেন, আগে পার্কিং বিনামূল্যে ছিল। এখন পার্কিংয়ের জন্য অতিরিক্ত এত খরচ জোগাড় করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
শুধু আবাসিক এলাকায় নয়, শপিং মলের পার্কিং জোনে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্যও জুলাই থেকে গুনতে হচ্ছে ফি। ২৪ ঘণ্টা পার্কিংয়ের জন্য দিতে হচ্ছে প্রায় ১ হাজার দিরহাম।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।