
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন জি-৭ নেতারা। একে ‘বড় ধরনের অগ্রগতি’ এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার একটি ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।
গত সোমবার থেকে ফ্রান্সের শহর এভিয়াঁয় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। গতকাল মঙ্গলবার শীর্ষ সম্মেলনের এক অধিবেশনে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সম্মেলনের আয়োজক ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেন, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো একটি শক্তিশালী, বাস্তবসম্মত ও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা।
ইমানুয়েল মাখোঁ জানান, হরমুজ প্রণালি শান্তিপূর্ণভাবে পুনরায় চালু করতে ফ্রান্স ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী শুক্রবার হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত হবে। সেদিনই জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সই হওয়ার কথা।
ট্রাম্পের দেওয়া তথ্যমতে, যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি এরই মধ্যে সই হয়েছে। এবার দুই দেশ চুক্তির ‘দ্বিতীয় ধাপের’ দিকে এগোচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি এবং দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জটিল বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা তুলনামূলকভাবে আরও সহজ হবে বলে তিনি আশা করছেন।
আরও দেখুন

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।