
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩ লাখ ৬০ হাজার দিরহামের লটারি জিতেছেন চারজন। এর মধ্যে তৃতীয় হয়েছেন একজন বাংলাদেশি। আবুধাবিতে চালকের চাকরি করা ওই বাংলাদেশির নাম মোহাম্মদ আবদুল আজিজ জাবাল। তিনি ৯০ হাজার দিরহাম (প্রায় ৩০ লাখ টাকা) জিতেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, ৫৬ বছর বয়সী জাবাল একজন বেসরকারি গাড়িচালক। ১৯৯৫ সাল থেকে আবুধাবিতে থাকেন তিনি। ২৫ জনের একটি দল এই টিকিটের অংশীদার। যখন তিনি লটারি জেতার ফোন পান, তখন খুবই অবাক হন।
জাবাল বলেন, ‘আমি খুবই হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু খুব খুশিও হয়েছিলাম।’ তাঁর জন্য এই জয় কেবল ব্যক্তিগত জয় নয়। জাবালের ভাষ্য, ‘এই জয় কেবল আমার এবং আমার পরিবারের জন্য নয়, বরং আমার বন্ধুবান্ধব এবং তাদের পরিবারের জন্যও।’
আবদুল আজিজের পরিকল্পনা হলো পুরস্কারের টাকা তাঁর দলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এবং বাকিটা তাঁর পরিবারের সঙ্গে উপভোগ করা। জেতা সত্ত্বেও, তিনি টিকিট কেনা চালিয়ে যাওয়ার যাবেন এবং তাঁর বিগ টিকিটের যাত্রায় আরও লটারি জেতার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন বলে জানান জাবাল।
লটারি জেতা বাকিরা হলেন দুবাইয়ের কানাডীয় চিফ অপারেটিং অফিসার খালদুন সাইমৌহ (৪৭), ভারতীয় ফিন্যান্স প্রফেশনাল অক্ষয় ট্যান্ডন (৩৯) ও ভারতীয় রবিন বারঘেস।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।