
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাইজঅনের বিশেষ আয়োজন ‘টি অ্যান্ড টক: এনডিআইএস এডিশন’।

রোববার ২৮ সেপ্টেম্বর এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটি ছিল জ্ঞান বিনিময়, অভিজ্ঞতা শেয়ার, নেটওয়ার্কিং ও প্রতিবন্ধী সেবায় বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপনের একটি মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিনা স্কানদারি, মোর্তেজা ইব্রাহিমি, আসমা আলম (কাশফি), শওরভ হোসেন, মো. ফেরদৌস সিদ্দিকী, প্রতিভা বরাল, আবু বকর সিদ্দিক, মো. রাশেদ তারেক, নাসরিন হাওলাদার, ড. কাজী আবু সাঈদ (লেকচারার), কামাল পাশা, ড. নুসরাত শিরমেন, মো. আশিফ ইকবাল ও তামান্না রহমান।

এ ছাড়াও, রাইজঅন পরিবারের সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অংশগ্রহণকারী মাইকেল হেল, অংশগ্রহণকারীর কন্যা ডেনিস আলী, মুনির হুসনাইন, রাবিনা মুক্তান, ফারজানা চৌধুরী, আইশা বেগম, রুবাইয়াত ফারহা তাবিয়া ও জাওয়াদ সাত্তার।

বক্তারা তাদের আলোচনায় উল্লেখ করেন, ভিন্ন ভিন্ন পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রতিবন্ধী সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। সহযোগিতামূলক উদ্যোগই পারে সবার জন্য একটি সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে।

রাইজঅন কর্তৃপক্ষ জানায়, এ আয়োজন কেবল শুরু। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হবে, যেখানে থাকবে নতুন ধারণা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও অনুপ্রেরণার সুযোগ।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।