
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি আমেরিকান নিহত হয়েছেন। নিহত বাংলাদেশির নাম মাহিদুল ইসলাম সুজন
দুর্ঘটনায় সুজনের বাবা নুর মিয়াসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। নুর মিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিশিগানের হ্যামট্রামেক পুলিশ জানায়, একটি সাদা গাড়িতে থাকা যাত্রীদের সন্দেহ হলে পুলিশ গাড়িটি ধাওয়া করে। তখন মাহিদুল ইসলাম সুজন ও তাঁর বাবাকে বহনকারী গাড়ি সিগন্যালে দাঁড়িয়ে ছিল। এদিকে পুলিশের ধাওয়ায় সাদা গাড়ি দ্রুত পালানোর চেষ্টাকালে সুমনদের বহনকারী গাড়িকে ধাক্কা দেয়। এতে সুজনদের গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে যায় ও পাশে থাকা আরও কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান সুজন। এ ছাড়া, আহত হন সুজনের বাবাসহ বেশ কয়েকজন।
নিহত সুজনের শ্বশুর আব্দুল মতিন জানান, সুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ডেট্রয়েট সিটির ডিএমসি হাসপাতালে রয়েছে। আজ শুক্রবার ফরেনসিক রিপোর্ট আসার পর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রায় ৮ বছর আগে মিশিগানে আসেন সুজন। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর বাবা নুর মিয়াকে ভিজিট ভিসায় নিজের কাছে নিয়ে আসেন। সুজনের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার বুরাইয়া গ্রামে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।