
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে মুম্বাইয়ে নিজ বাসায় হামলার শিকার হন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলী খান। আর তখন থেকেই শুরু হয়েছে হামলাকারীকে ধরতে পুলিশের অভিযান।
প্রশ্ন উঠেছে, মুম্বাইয়ের বান্দ্রার মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপদ এলাকাতে মাঝরাতে কে এই নবাবের প্রাসাদে ঢুকে হামলা চালাল? এ নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশের ৭টি দল। শুরুতে একজনকে গ্রেপ্তার করলেও পরবর্তীতে বলা হয়—সে হামলাকারী না।
খবর হিন্দুস্থান টাইমস বাংলার।
এবার দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে মহারাষ্ট্র থানা আটক করেছে মোহাম্মাদ শরিফুল ইসলাম শাহজাদকে। আর এই শরিফুল ইসলামকে নিয়েই শুরু হয়েছে জল ঘোলা হওয়া।
মহারাষ্ট্র পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন শরিফুল একজন বাংলাদেশি। তাঁর ভারতীয় বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। তাঁর বিভিন্ন জিনিসপত্র ঘেটে প্রাথমিকভাবে তাঁকে বাংলাদেশি বলেই মনে করছে ভারতের পুলিশ।
এরইমধ্যে শরিফুলের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করেছে পুলিশ। এতে তার বয়স ৩০ উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শরিফুল ৫-৬ মাস আগে মুম্বাইতে এসেছিলেন। এরপর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করে আবার দিন ১৫ আগে বান্দ্রা এলাকায় আসেন। এখানে তিনি বিজয় দাস নামে নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর নামবদল থেকে শুরু করে অন্য কাগজপত্র কোনোটাই বৈধ না বলে দাবি ভারতীয় পুলিশের।
১৫ জানুয়ারি মাঝরাতে সাইফের অ্যাপার্টমেন্টে হামলা করে একজন। সাইফ তাকে থামাতে গেলে দুজনার মধ্যে ধস্তাধস্তি হয় এবং এক পর্যায়ে হামলাকারী সাইফের শরীরের ৫ জায়গায় ছুরিকাঘাত করে। বর্তমানে তিনি লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আরও পড়ুন

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।