Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের আবেদন করতে উৎসাহ দিচ্ছে স্পেনের এনজিওগুলো

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬, ১৮: ১৮
সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের আবেদন করতে উৎসাহ দিচ্ছে স্পেনের এনজিওগুলো

বিশেষ গণ-নিয়মিতকরণ (মাস রেগুলারাইজেশন) কর্মসূচির সময়সীমা মঙ্গলবার (৩০ জুন) শেষ হওয়ার আগে স্পেনের কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের নিবন্ধনের আহ্বান জানাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই কর্মসূচিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ আবেদন করেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।

অধিকারবিষয়ক সংগঠন সিইএআর এবং সেপাইম মালি, ইরান বা ভেনেজুয়েলার মতো দেশের অভিবাসীদের পরামর্শ দিয়েছে, নিজ দেশের প্রয়োজনীয় নথি এখনো হাতে না এলেও আবেদন জমা দিতে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সিইএআরের আইন বিভাগীয় সমন্বয়কারী এলেনা মুনিয়োজ বলেন, “আমাদের কার্যালয়ে যারা এসেছেন এবং যাদের আবেদন প্রক্রিয়ার শুরুতে কিছু কাগজপত্রের ঘাটতি ছিল, তাদের সবার নথি আমরা শেষবারের মতো যাচাই করছি।”

তিনি বলেন, “কোনো আবেদন এখনো সম্পূর্ণ না হলেও আমরা ৩০ জুনের আগেই তা জমা দেব, যাতে তারা এই নিয়মিতকরণ কর্মসূচির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।”

এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে স্পেন সরকার প্রায় ১০ লাখ আবেদন পেয়েছে, যা তাদের প্রত্যাশিত ৫ লাখ আবেদনের প্রায় দ্বিগুণ।

তুলনামূলকভাবে বিদেশি আগমনবান্ধব নীতি অনুসরণকারী স্পেনে এনজিওগুলো এখনো আবেদন না করা অভিবাসীদের উদ্বেগও কমানোর চেষ্টা করছে।

স্পেনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের ইউনিয়নের নেতা সিজার পেরেজ জানান, শুক্রবার পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৭০ হাজার।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা

সেপাইমের মহাপরিচালক হুয়ান সেগুরা বলেন, অভিবাসীদের আবেদন জমা দিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, কারণ আবেদন করার পর প্রয়োজনীয় অনুপস্থিত নথি জমা দেওয়ার জন্য তারা অতিরিক্ত সময় পাবেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান ও মালির মতো সংঘাতকবলিত দেশের অভিবাসীরা স্পেনের কনস্যুলেট থেকে নথি বৈধকরণে নানা বাধার মুখে পড়েছেন। একই ধরনের জটিলতা আলজেরিয়া ও নাইজেরিয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে।

অন্যদিকে ভেনেজুয়েলার নাগরিকেরা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপোস্টিল সংগ্রহে বিলম্বের মুখে পড়েছেন। এ ছাড়া জুনের শুরুতে স্পেনের নীতিগত পরিবর্তনের কারণে আশ্রয়প্রার্থীদের এই নতুন প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর করা হয়, ফলে প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুতের জন্য তাদের হাতে কম সময় ছিল।

সেগুরা বলেন, “এর ফলে ভেনেজুয়েলার অনেক অভিবাসীর প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের সময় কমে গেছে। এখন তাদের অনেকেই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাই সময়সীমা বাড়ানো যুক্তিযুক্ত হবে।”

তবে অভিবাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সময়সীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

সিইএআরের মতে, একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন, যাতে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি পাওয়ার আগে দুই বছর অনিয়মিত অবস্থায় থাকতে না হয়।

ভ্যালেন্সিয়াভিত্তিক একটি এনজিওর প্রধান সিলভানা কাবরেরা বলেন, শেষ মুহূর্তে আবেদন গ্রহণের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। অনেক অভিবাসী হয়তো সময়মতো নিবন্ধনই করতে পারবেন না।”

এনজিওগুলোর আশঙ্কা, প্রায় ১০ লাখ আবেদনের অন্তত ২০ শতাংশ বাতিল হতে পারে। এর প্রধান কারণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক নমনীয়তার অভাব।

আবেদনের যোগ্যতার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে কয়েক ঘণ্টা পরে স্পেনে পৌঁছানো কলম্বীয় অভিবাসী হোসে লুইস কিরোগা এনজিও আকুলকোর পরামর্শে আবেদন জমা দিয়েছেন।

বিষয়: অভিবাসনপ্রত্যাশীস্পেনএনজিওইউরোপঅভিবাসননিবন্ধনবাংলাদেশি
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।