
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
কাতারে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রবাল প্রাচীরকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং প্রায় ২০ ধরনের মাছের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি দেশটির সামুদ্রিক গবেষকরা এ তথ্য জানিয়েছে।
গত সপ্তাহে কাতার ইউনিভার্সিটি এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাতারে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি বেড়ে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি ছাড়ালে তা সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য উদ্বেগের। যদিও এমন ঘটনা কাতারে প্রতি দুই বা তিন বছর পর গ্রীষ্মে একবার ঘটে। তবে গবেষকরা এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
কাতার ইউনিভার্সিটির সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. ইব্রাহিম আল মাসলামানি বলেছেন, ‘আমি প্রবাল প্রাচীর নিয়ে সত্যিই চিন্তিত। প্রবাল প্রাচীর তাপমাত্রা দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে কি না তা আমরা এখনও জানি না। ৩৬ ডিগ্রি, এটি সত্যিই খুব বেশি। যদি প্রবাল প্রবাল প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে তা সত্যিই একটি বিপর্যয় হবে।’
কাতারের রাজধানী দোহার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত হালুল দ্বীপসহ কাতারি উপকূলরেখা বরাবর বেশ কয়েকটি এলাকায় প্রবাল প্রাচীর রয়েছে।
অধ্যাপক ড. ইব্রাহিম আল মাসলামানি জানিয়েছেন, তাপের ক্ষতিকর প্রভাব মাছের ওপরেও পড়েছে। এই বিশেষজ্ঞের ধারণা, সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ১৮টির বেশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা গেছে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।