
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
বাসস, ঢাকা

ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রোকেবুল হক রোমের মেয়র রোবার্তো গোয়ালথিয়েরির সঙ্গে তাঁর অফিসে সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ‘সিটি অব ইটারনিটি’ সৌন্দর্য্যের জন্য মেয়রের নেতৃত্ব ও ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বৈঠকে রোকেবুল হক ইতালিতে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। রাষ্ট্রদূত প্রবাসীদের সংহতি ও কল্যাণকর জীবনমান সহজতর করতে ইতালির সিটি কর্তৃপক্ষ ও রোম সিটি প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
রাষ্ট্রদূত হক রোমে মুসলিমদের জন্য একটি কবরস্থান নির্মাণের জন্য রোমের মেয়রকে অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দীর্ঘদিনের দাবি।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রোমের মেয়র রোবার্তো তার দীর্ঘ সখ্যতার কথা স্মরণ করেন।
তিনি এক্সপো-২০৩০–এর থিম এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডামসের সঙ্গে ফ্রেটেলি টুটি ফাউন্ডেশন আয়োজিত গত বছর মানব ভ্রাতৃত্বের ওপর দ্বিতীয় বিশ্ব বৈঠকের বিষয়ে আলোচনার জন্য অধ্যাপক ইউনূসের রোম সফরের কথা উল্লেখ করেন।
রবার্তো গোয়ালথিয়েরি মেয়রের কার্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের জন্য রাষ্ট্রদূত রোকেবুল হকের প্রশংসা এবং আশ্বস্ত করেন যে, তাঁর অফিস বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য উন্নত জীবন এবং নিরাপদ কাজের জায়গা নিশ্চিত করবে যাতে তারা উপযুক্ত মজুরি পায়।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।