
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানি কোনগুলো, তা নিয়ে বিনিয়োগকারী, বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল কাজ করে।
২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাজার মূলধনের (মার্কেট ক্যাপিটাল) ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ১০টি কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ইন্ডিয়া।
তালিকা অনুযায়ী কোম্পানিগুলো হলো—
১. অ্যাপল
অ্যাপল প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি। বাজার মূলধন ৩ দশমিক ৪৪১ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার।
২. মাইক্রোসফট
প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি মাইক্রোসফট। বাজার মূলধন ৩ দশমিক ২২১ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার।
৩. এনভিডিয়া
এনভিডিয়া সেমিকন্ডাক্টর খাতের কোম্পানি। বাজার মূলধন ৩ দশমিক শূন্য ২৯ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার।
৪. অ্যামাজন
ই-কমার্স খাতের কোম্পানি অ্যামাজন। বাজার মূলধন ২ দশমিক শূন্য ২০ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার।
৫. অ্যালফাবেট
অ্যালফাবেট প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি। বাজার মূলধন ১ দশমিক ৯৮৭ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার।
৬. সৌদি আরামকো
তেল-গ্যাস খাতের কোম্পানি সৌদি আরামকো। বাজার মূলধন ১ দশমিক ৭৮৯ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার।
৭. মেটা
মেটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খাতের কোম্পানি। বাজার মূলধন ১ দশমিক ৪৩৭ ট্রিলিয়ন ইউএস ডলার।
৮. বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে
বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে। বাজার মূলধন ৯৭৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার।
৯. টিএসএমসি
টিএসএমসি সেমিকন্ডাক্টর খাতের কোম্পানি। বাজার মূলধন ৯৪৫ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার।
১০. এলি লিলি
ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের কোম্পানি এলি লিলি। বাজার মূলধন ৮৩২ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার।
সূত্র: ফোর্বস ইন্ডিয়া

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।