
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ে না তাঁর। প্রায়ই নিজের নানা উদ্ভট কর্মকাণ্ডের জন্য খবরের শিরোনামে থাকেন তিনি। কিছুদিন আগে তিনি খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন স্ত্রীর স্নানের ভিডিও পোস্ট করে। এবার গ্র্যামির রেড কার্পেটে (লাল গালিচা) র্যাপার কানইয়ে ও তাঁর স্ত্রী মডেল বিয়াঙ্কা সেনসরিকে নিয়ে তৈরি হলো নতুন বিতর্ক।
খবর ভ্যারাইটির।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে স্থানীয় সময় রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বসেছিল ৬৭তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের আসর। সেখানেই স্ত্রী বিয়াঙ্কার সঙ্গে লালগালিচায় হাজির হন কানইয়ে। কালো প্যান্ট, কালো টি-শার্ট, কালো জুতা; আপাদমস্তক কালো পোশাকে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী বিয়াঙ্কার পরনে ছিল কোট। কিছুক্ষণ পর বিয়াঙ্কা কোট খুলে ফেলেন, এর পরেই সবাই চমকে যান।
বিয়াঙ্কা কোটের নিচে পরেছিলেন খুব স্বচ্ছ পোশাক, এতে তাঁর শরীর পুরোপুরি উন্মুক্ত ছিল। বলা যায়, পুরোপুরি নগ্ন হয়েই এরপর ছবির জন্য পোজ দেন তিনি। কালো সানগ্লাস পরা কানইয়ে তখন পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন।

লালগালিচায় নগ্ন হয়ে পোজ দেওয়ার পর এই দম্পতিকে মূল অনুষ্ঠানে আর দেখা যায়নি। গ্র্যামির একটি সূত্র ভ্যারাইটিকে জানিয়েছে, লালগালিচায় পোজ দেওয়ার পর কানইয়ে ও বিয়াঙ্কা বাইরে পার্ক করা গাড়িতে উঠে চলে যান।
তবে ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। কানইয়ে ও বিয়াঙ্কার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্জালে। শুরু হয়েছে প্রবল বিতর্ক। অনেকেই কানইয়ে ও বিয়াঙ্কার প্রবল সমালোচনা করেছেন। তবে এ নিয়ে এই তারকা দম্পতির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কানইয়ে ওয়েস্টকে সর্বকালের অন্যতম সেরা র্যাপার মনে করা হয়। ২৪টি গ্র্যামিজয়ী এই শিল্পী অবশ্য প্রায়ই নিজের কাজের জন্য বিতর্কে জড়ান। এর আগে বিয়াঙ্কা সেনসরির জন্মদিনে তাঁর নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন কানইয়ে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।