
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন লটারি জিতেছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে আব্দুল মান্নান আরেক বাংলাদেশি প্রবাসীর নাম। দুই দশকের বেশি সময় ধরে আরব আমিরাতে বসবাসকারী এই বাংলাদেশি সম্প্রতি ১০ লাখ দিরহাম অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা জিতেছেন।
খবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের।
খবরে বলা হয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশি আব্দুল মান্নান দেশটির বহুল আলোচিত ‘বিগ টিকিট’ লটারির সাপ্তাহিক ড্রতে এই ১০ লাখ দিরহাম জিতেছেন। আব্দুল মান্নান আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাস করেন এবং সেখানেই তাঁর নিজস্ব ব্যবসা আছে।
আব্দুল মান্নান প্রায় দুই দশক ধরে আবুধাবিতে বসবাস করলেও এই লটারি সম্পর্কে জানতে পারেন বছর দশেক আগে, তাঁর বন্ধুদের কাছ থেকে। তিনি খেয়াল করেন যে, তাঁর বন্ধুরা উৎসাহের সঙ্গে বিগ টিকিট লটারির টিকিট কিনছেন এবং ড্র সম্পর্কিত নানা অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। তাদের মধ্যে এমন উদ্দীপনা দেখে তিনিও একসময় আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং সিদ্ধান্ত নেন, তিনি নিজেও এই লটারিতে অংশ নেবেন এবং ভাগ্য পরীক্ষা করবেন।
শুরুর দিকে মান্নান তাঁর ৫ জন বন্ধুর একটি দলের সঙ্গে মিলে বিগ টিকিট লটারির টিকিট কিনতে শুরু করেন। প্রথম দিকে তারা নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে টিকিট কিনতেন, কিন্তু পরে আব্দুল মান্নান মাঝে মাঝে একাই টিকিট কিনতে শুরু করেন। সর্বশেষ ড্রয়ের জন্য তিনি ইন-স্টোর থেকে ২টি টিকিট কিনেছিলেন এবং ১টি বিশেষ প্রচারমূলক অফারের আওতায় অতিরিক্ত ৩টি বিনা মূল্যের টিকিট পান। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, তাঁর সেই বিনা মূল্যে পাওয়া টিকিটগুলোর মধ্যেই ১টি তাঁকে বিজয়ী করেছে।
বিজয়ের মুহূর্ত সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আব্দুল মান্নান বলেন, ‘যখন বিগ টিকিট থেকে ফোন এল, আমি আনন্দ-উত্তেজনায় অভিভূত হয়ে পড়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, এই মুহূর্ত যেন কোনো স্বপ্নের মতো। মনের ভেতরে কোথাও একটা অনুভূতি হচ্ছিল যে, আজকের দিনটি আমার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে। আর সত্যিই তাই ঘটেছে! আমার স্বপ্ন সত্যি হয়েছে।’
আব্দুল মান্নান এখনো চূড়ান্তভাবে ঠিক করেননি যে, এই পুরস্কারের টাকা কীভাবে কাজে লাগাবেন। তবে তাঁর প্রাথমিক পরিকল্পনা হলো, এই অর্থকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসাকে আরও সম্প্রসারিত করা।
তিনি বলেন, ‘আমি অবশ্যই বিগ টিকিট কেনা চালিয়ে যাব। এটি আমার জন্য এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে। তাই আমি চাই, ভবিষ্যতেও আমার ভাগ্য আবার প্রসন্ন হোক। আমি অন্যদের জন্য শুধু এটুকুই বলব, আপনারাও চেষ্টা করে যান, কখন কোন মুহূর্তে ভাগ্য আপনার দরজায় কড়া নাড়ে, তা বলা যায় না।’
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বিগ টিকিটের ২ কোটি ৫০ লাখ দিরহামের গ্র্যান্ড প্রাইজ ড্র অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া, এর আগে আগামী সপ্তাহে আরও একটি সাপ্তাহিক ই-ড্র অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে বিজয়ীকে ১০ লাখ দিরহাম পুরস্কার দেওয়া হবে। যারা এই ড্রতে অংশ নিতে চান, তারা অনলাইনে বিগ টিকিটের ওয়েবসাইট থেকে অথবা জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আল আইন বিমানবন্দরের কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে পারবেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিখ্যাত ‘বিগ টিকিট’ লটারিতে ২ কোটি দিরহাম পান বাংলাদেশি আবুল মনসুর আব্দুল সবুর। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬৬ কোটি টাকা। ৫০ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশি বর্তমানে আমিরাতের আবুধাবি শহরে বসবাস করছেন। রাজমিস্ত্রির কাজ ছাড়াও ডেলিভারি রাইডার হিসেবেও অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। ২০০৭ সালে আমিরাতে যাওয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত র্যাফেল ড্রয়ের টিকিট সংগ্রহ করতেন।
এ ছাড়া, আরব আমিরাতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আরেক বাংলাদেশি প্রবাসী শামসু মিয়া জেতেন ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। একই বছরের ডিসেম্বরে সৌদিপ্রবাসী বাংলাদেশ রুবেল বিগ টিকিটের লটারিতে জেতেন প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। তার আগে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আরেক আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদও ১০ মিলিয়ন দিরহাম জেতেন একই লটারিতে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।