
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের ক্যাম্বেলটাউনে সাব কন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্পবেলটাউন ইনকের কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে স্থানীয় বহুসাংস্কৃতিক কমিউনিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ক্যাম্বেলটাউন লোকাল গভর্নমেন্ট এরিয়ায় নির্মীয়মাণ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিস্তম্ভের অগ্রগতি এবং আসন্ন বইমেলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সাব কন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্বেলটাউন ইনকের সভাপতি পারভেজ খান, সাধারণ সম্পাদক কায়সার আহমেদ, সহসভাপতি হারিশ গোয়েল ও তুঙ্গা নাথ খারেল স্মৃতিস্তম্ভ সম্পর্কে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।
সভায় ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী ও কাউন্সিলর আশিকুর রহমান এশ উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির পক্ষ থেকে কাউন্সিল প্রতিনিধিদের কাছে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে কাউন্সিলের অগ্রগতি ও আপডেট জানতে চাওয়া হয়।

উপস্থিত অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং কাউন্সিলররা যথাযথ উত্তর দেন।
এ ছাড়া, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আয়োজিতব্য বইমেলার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। আয়োজকদের মতে, বইমেলাকে কেন্দ্র করে বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মাতৃভাষার প্রতি সম্মান আরও বিস্তৃত হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিস্তম্ভ শুধু দক্ষিণ এশীয় নয়, বরং ক্যাম্বেলটাউনের সকল সংস্কৃতির জন্য একটি ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠবে।
মতবিনিময়টি সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজনের জন্য আয়োজক কমিটি এবং অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।