Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

যেভাবে জীবন বদলে দিতে পারে ‘৩০:৩০:৩০:১০’ পদ্ধতি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৫, ১৪: ৪৮
যেভাবে জীবন বদলে দিতে পারে ‘৩০:৩০:৩০:১০’ পদ্ধতি

চাকরি ও অবসর-পরবর্তী জীবন নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন থাকেন। তবে একটি কার্যকর অর্থনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে আয় ও পেনশন দুটোই সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা যায়। পদ্ধতিটির নাম ৩০:৩০:৩০:১০ পদ্ধতি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এটি এমন একটি কাঠামো যা বাজেট তৈরি, বিনিয়োগ, সঞ্চয় ও অবসর–পরবর্তী জীবনকে ভারসাম্যপূর্ণভাবে সাজাতে সহায়তা করে।

এই নিয়মটি মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম ৩০ শতাংশ ব্যয় করা উচিত দৈনন্দিন অপরিহার্য খরচে-যেমন বাসা ভাড়া, খাদ্য, পরিবহন, গ্যাস, ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসে। এই অংশটি জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণে সহায়তা করে এবং জীবনযাত্রার মান বজায় রাখে। অবসর–পরবর্তী সময়েও এই অংশের গুরুত্ব অপরিবর্তিত থাকে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দ্বিতীয় ৩০ শতাংশ বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত। আপনি চাকরিরত বা অবসর–পরবর্তী যেই অবস্থায় থাকুন না কেন, এই অংশটি সম্পদ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

তৃতীয় ৩০ শতাংশ সাধারণত অবসরের পর সঞ্চয়ের জন্য রাখা হয়। যারা এখনও কর্মজীবনে আছেন, তারা ভবিষ্যতের অবসরকালীন প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে এই অংশটি সঞ্চয় করতে পারেন। তবে কর্মরত ব্যক্তিরা চাইলে এই অংশটি গৃহঋণ পরিশোধ বা সম্পত্তি ক্রয়ের মতো দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক লক্ষ্যে ব্যবহার করতে পারেন।

শেষের ১০ শতাংশ রাখা হয় জরুরি তহবিল হিসেবে। এটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি, যেমন চিকিৎসা বা অন্যান্য আর্থিক বিপর্যয়ের সময় সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে।

এক কথায় ৩০:৩০:৩০:১০ পদ্ধতি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনাকে সহজ, বাস্তবসম্মত এবং ভবিষ্যতকে সহজ করে তুলতে পারে।

বিষয়: পেনশনবিনিয়োগনিরাপত্তাসম্পদচাকরি
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।

  • ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    ইসবগুলের ভুষি কি আসলেই ওজেম্পিকের বিকল্প?

    তারা সস্তা ও প্রেসক্রিপশন ছাড়া পাওয়া যাবে এমন কিছু জিনিস নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন, যা নাকি ওজেম্পিকের মতো দ্রুত কমাতে পারে। এই তালিকায় সাম্প্রতিক সময় সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে ‘সিলিয়াম হাস্ক’-এর নাম। আর এই সিলিয়াম হাস্ক আর কিছুই নয়— আমাদের অতি পরিচিত ইসবগুলের ভুষি।

  • কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

    সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

  • ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

    অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।