চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরুর দুই ঘণ্টা পর সার্বিক পরিস্থিতিকে ঈদের আনন্দের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, “ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার মতো মানুষ ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে করে গ্রামে ভোট দিতে চলে গেছে। আমি বিভিন্ন জায়গায় কথা বলে জেনেছি, গ্রামে-গঞ্জে মানুষ উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে।”
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
ভোট দিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সিইসি বলেন, “আজ বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে। আমি ওয়াদা করেছিলাম জাতিকে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দেব। দীর্ঘ সময় পর ভোটের যে আমেজ সৃষ্টি হয়েছে এবং সবাই যে ভোট দিতে পারছে—এই আনন্দ সাধারণ মানুষকে উদ্বেলিত করছে।”
নির্বাচন আয়োজনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি বলেন, “২০২৪ সালের নভেম্বরে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে আমরা বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি। আপনাদের (সাংবাদিকদের) সহযোগিতা আমাদের বড় শক্তি। আপনারা হচ্ছেন ‘থার্ড আই’। আমরা আপনাদের চোখ দিয়েই মাঠের প্রকৃত চিত্র দেখতে চাই।”
সিইসি বলেন, “২০২৬ সালে সারা বিশ্বে এটিই সবচেয়ে বড় নির্বাচন। গতকাল বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। বিভিন্ন দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনাররা আমাদের প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।”
নির্বাচনী বিশাল কর্মযজ্ঞের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, “কল্পনা করা কঠিন যে, প্রায় ১৭ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং ৮ লাখ ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাসহ ২৫ লাখ মানুষকে এই প্রক্রিয়ায় সমন্বয় করা হয়েছে। বিভিন্ন বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের মানুষকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এক সুতোয় গাঁথা ছিল এক বিশাল সমন্বয়ের কাজ।”
কিছু রাজনৈতিক দলের ‘পাতানো নির্বাচন’ সংক্রান্ত অভিযোগের জবাবে সিইসি বলেন, “নির্বাচন পাতানো কি না, তা আপনারাই (সাংবাদিকরা) বলবেন। আমরা কোনো পক্ষ বা বিপক্ষ নই। আমরা শুধু একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছি এবং আমার ধারণা, আমরা তা পেরেছি। প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের আমি শুধু একটি নির্দেশই দিয়েছি—পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই (এআই) জেনারেটেড কনটেন্ট বর্তমানে আমাদের জন্য এক নম্বর থ্রেট। এটি পুরোপুরি মোকাবিলা করা কঠিন, কারণ অনেক কনটেন্ট দেশের বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য প্রচার রুখে দেওয়ার কৌশল নিয়েছি। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের সরব উপস্থিতিই আমাদের বড় শক্তি।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরুর দুই ঘণ্টা পর সার্বিক পরিস্থিতিকে ঈদের আনন্দের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, “ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার মতো মানুষ ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে করে গ্রামে ভোট দিতে চলে গেছে। আমি বিভিন্ন জায়গায় কথা বলে জেনেছি, গ্রামে-গঞ্জে মানুষ উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে।”
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
ভোট দিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সিইসি বলেন, “আজ বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে। আমি ওয়াদা করেছিলাম জাতিকে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দেব। দীর্ঘ সময় পর ভোটের যে আমেজ সৃষ্টি হয়েছে এবং সবাই যে ভোট দিতে পারছে—এই আনন্দ সাধারণ মানুষকে উদ্বেলিত করছে।”
নির্বাচন আয়োজনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি বলেন, “২০২৪ সালের নভেম্বরে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে আমরা বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি। আপনাদের (সাংবাদিকদের) সহযোগিতা আমাদের বড় শক্তি। আপনারা হচ্ছেন ‘থার্ড আই’। আমরা আপনাদের চোখ দিয়েই মাঠের প্রকৃত চিত্র দেখতে চাই।”
সিইসি বলেন, “২০২৬ সালে সারা বিশ্বে এটিই সবচেয়ে বড় নির্বাচন। গতকাল বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। বিভিন্ন দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনাররা আমাদের প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।”
নির্বাচনী বিশাল কর্মযজ্ঞের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, “কল্পনা করা কঠিন যে, প্রায় ১৭ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং ৮ লাখ ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাসহ ২৫ লাখ মানুষকে এই প্রক্রিয়ায় সমন্বয় করা হয়েছে। বিভিন্ন বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের মানুষকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এক সুতোয় গাঁথা ছিল এক বিশাল সমন্বয়ের কাজ।”
কিছু রাজনৈতিক দলের ‘পাতানো নির্বাচন’ সংক্রান্ত অভিযোগের জবাবে সিইসি বলেন, “নির্বাচন পাতানো কি না, তা আপনারাই (সাংবাদিকরা) বলবেন। আমরা কোনো পক্ষ বা বিপক্ষ নই। আমরা শুধু একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছি এবং আমার ধারণা, আমরা তা পেরেছি। প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের আমি শুধু একটি নির্দেশই দিয়েছি—পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই (এআই) জেনারেটেড কনটেন্ট বর্তমানে আমাদের জন্য এক নম্বর থ্রেট। এটি পুরোপুরি মোকাবিলা করা কঠিন, কারণ অনেক কনটেন্ট দেশের বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য প্রচার রুখে দেওয়ার কৌশল নিয়েছি। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের সরব উপস্থিতিই আমাদের বড় শক্তি।”