চরচা প্রতিবেদক

দেশের অভ্যন্তরে নিবন্ধনকারী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর নাম উল্লেখ করার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে প্রবাসীদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন এবং প্রেরণ সংক্রান্ত নানা অনিয়ম নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যাখ্যা চেয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “পোস্টাল ব্যালট দেশের অভ্যন্তরে সবচাইতে বেশি ব্যবহৃত হবে। সেজন্য আমরা বলেছি যে সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় যে কয়জন প্রার্থী থাকে, তাদেরই তো মার্কা এবং দিয়ে নাম দিয়ে ব্যালট হয়। সেই একই ব্যালট যেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার পোস্টাল ব্যালেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।”
তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল প্রার্থী যারা থাকবেন, তাদের নাম এবং মার্কা সহকারে যেটা ইউজুয়াল সাধারণ ব্যালট হবে-সেই একই ব্যালেট প্রত্যেকটা নির্বাচনী এলাকার পোস্টাল ব্যালেটের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য আমাদের একদম স্পষ্ট প্রস্তাব আমরা দিয়েছি।”
ব্যালট প্রণয়ন এবং বিদেশে প্রেরণ কার্যক্রমে নানা অনিয়ম ইসির কাছে তুলে ধরে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন বিএনপি।
সালাহউদ্দিন বলেন, “পোস্টাল ব্যালেট যেগুলো প্রবাসীদের জন্য পাঠানো হয়েছে-আমরা বলেছি, এখানে সঠিকভাবে বিবেচনা করা হয় নাই। যারা এই পোস্টাল ব্যালেট প্রণয়নের কাজে ছিল এবং প্রেরণের কাজে ছিল বা এগুলোর বিষয়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিল, তাদেরকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। ইলেকশন কমিশনকে ব্যাখ্যা দিতে হবে।”
বিএনপির এই নেতা বলেন, “বিভিন্নভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও আকারে আসছে-একটা বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও এখনই ভোটিং শুরু হয়ে গেছে, যেটা ২২ তারিখে হওয়ার কথা। কোথাও কোথাও বলছে একজনের নাম্বার দিয়ে আরেকজন গ্রহণ করছে। এইভাবে অনেক কিছু অনিয়ম হয়েছে।”
পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের ঘটনায় বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যেহেতু বাংলাদেশে প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে, এখানে কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। তবে যে ভুলভ্রান্তিটা হচ্ছে, এখানে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে হয়ে এখানে কিছু কিছু কাজ হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। সেটা সেটা প্রমাণিত হচ্ছে।”
ভোটার স্লিপে প্রার্থী ও দলের নাম দাবি
সালাহউদ্দিন বলেন, “ভোটার স্লিপ প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা যেহেতু চাই অধিকাংশ ভোটার ভোটে অংশগ্রহণ করুক। দেশে সবাই চায়। তো সেই ক্ষেত্রে তারা যাতে তাদের ভোটের নাম্বারটা এবং প্রার্থীর নাম, প্রতীক ইত্যাদি পায় ভোটার স্লিপের মাধ্যমে, সহজ হয়। সেটা না করে তারা ভোট স্লিপের মধ্যে বলেছি, কোনো পার্টির নাম দেওয়া যাবে না, মার্কা দেওয়া যাবে না এবং প্রার্থীর ছবি দেওয়া যাবে না। এগুলো পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”

দেশের অভ্যন্তরে নিবন্ধনকারী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর নাম উল্লেখ করার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে প্রবাসীদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন এবং প্রেরণ সংক্রান্ত নানা অনিয়ম নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যাখ্যা চেয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “পোস্টাল ব্যালট দেশের অভ্যন্তরে সবচাইতে বেশি ব্যবহৃত হবে। সেজন্য আমরা বলেছি যে সমস্ত নির্বাচনী এলাকায় যে কয়জন প্রার্থী থাকে, তাদেরই তো মার্কা এবং দিয়ে নাম দিয়ে ব্যালট হয়। সেই একই ব্যালট যেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার পোস্টাল ব্যালেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।”
তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল প্রার্থী যারা থাকবেন, তাদের নাম এবং মার্কা সহকারে যেটা ইউজুয়াল সাধারণ ব্যালট হবে-সেই একই ব্যালেট প্রত্যেকটা নির্বাচনী এলাকার পোস্টাল ব্যালেটের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য আমাদের একদম স্পষ্ট প্রস্তাব আমরা দিয়েছি।”
ব্যালট প্রণয়ন এবং বিদেশে প্রেরণ কার্যক্রমে নানা অনিয়ম ইসির কাছে তুলে ধরে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন বিএনপি।
সালাহউদ্দিন বলেন, “পোস্টাল ব্যালেট যেগুলো প্রবাসীদের জন্য পাঠানো হয়েছে-আমরা বলেছি, এখানে সঠিকভাবে বিবেচনা করা হয় নাই। যারা এই পোস্টাল ব্যালেট প্রণয়নের কাজে ছিল এবং প্রেরণের কাজে ছিল বা এগুলোর বিষয়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিল, তাদেরকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। ইলেকশন কমিশনকে ব্যাখ্যা দিতে হবে।”
বিএনপির এই নেতা বলেন, “বিভিন্নভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও আকারে আসছে-একটা বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও এখনই ভোটিং শুরু হয়ে গেছে, যেটা ২২ তারিখে হওয়ার কথা। কোথাও কোথাও বলছে একজনের নাম্বার দিয়ে আরেকজন গ্রহণ করছে। এইভাবে অনেক কিছু অনিয়ম হয়েছে।”
পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের ঘটনায় বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যেহেতু বাংলাদেশে প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে, এখানে কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারে। তবে যে ভুলভ্রান্তিটা হচ্ছে, এখানে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে হয়ে এখানে কিছু কিছু কাজ হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। সেটা সেটা প্রমাণিত হচ্ছে।”
ভোটার স্লিপে প্রার্থী ও দলের নাম দাবি
সালাহউদ্দিন বলেন, “ভোটার স্লিপ প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা যেহেতু চাই অধিকাংশ ভোটার ভোটে অংশগ্রহণ করুক। দেশে সবাই চায়। তো সেই ক্ষেত্রে তারা যাতে তাদের ভোটের নাম্বারটা এবং প্রার্থীর নাম, প্রতীক ইত্যাদি পায় ভোটার স্লিপের মাধ্যমে, সহজ হয়। সেটা না করে তারা ভোট স্লিপের মধ্যে বলেছি, কোনো পার্টির নাম দেওয়া যাবে না, মার্কা দেওয়া যাবে না এবং প্রার্থীর ছবি দেওয়া যাবে না। এগুলো পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।