ads

পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডানপন্থী কেইকো ফুজিমোরি কত ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেন?

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডানপন্থী কেইকো ফুজিমোরি কত ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেন?
পেরুর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি। ছবি: রয়টার্স

পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডানপন্থী প্রার্থী কেইকো ফুজিমোরিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচনবিষয়ক সর্বোচ্চ সংস্থা ন্যাশনাল জুরি অব ইলেকশনস (জেএনই)।

গত ৭ জুন অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার (রান-অফ) নির্বাচনে তার বামপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ও কংগ্রেস সদস্য রবার্তো সানচেজকে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করার কয়েক সপ্তাহ পর গতকাল শুক্রবার এ ঘোষণা আসে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

সপ্তাহের শুরুতে ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর ফুজিমোরি সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। শুক্রবার প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি ৯২ লাখ ২৩ হাজার ভোট পেয়েছেন, আর সানচেজ পেয়েছেন ৯১ লাখ ৭৩ হাজার ভোট। মাত্র ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন ফুজিমোরি।

ফল ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ফুজিমোরি লিখেছেন, “একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। দায়িত্ব, বিনয় এবং গভীর কর্তব্যবোধ নিয়ে আমরা এই দায়িত্ব গ্রহণ করছি। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিটি দিন হবে মানুষের কথা শোনা, সংলাপ চালিয়ে যাওয়া এবং নতুন সরকার পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ।”

কেইকো ফুজিমোরি জাপানি বংশোদ্ভূত সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রয়াত আলবের্তো ফুজিমোরির মেয়ে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আলবের্তো ফুজিমোরি কারাদণ্ড ভোগ করেছিলেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় অপরাধ দমনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ফুজিমোরি ক্ষমতায় গিয়ে ‘দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার’ অঙ্গীকার করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পেরু রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্থবির অর্থনীতির চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

এপ্রিলের সাধারণ নির্বাচনে রেকর্ড ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফুজিমোরি ও সানচেজ দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ওঠেন।

তবে এপ্রিলের নির্বাচনে ব্যালটপত্র বিতরণে বিলম্ব এবং উভয় দফার ভোটের দীর্ঘ গণনা প্রক্রিয়া নির্বাচনকে বিতর্কিত করে তোলে। বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ এ নিয়ে আপত্তি তোলে।

গ্রামীণ ও আদিবাসী ভোটারদের সমর্থন পাওয়া সানচেজ ভোট গণনায় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তুললেও, এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

তবে তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আনা একটি পরিবর্তনের সমালোচনা করেন। নতুন নীতিমালার ফলে বিদেশে প্রদত্ত ভোটের ফল ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও পাঠানোর বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়, যা তিনি প্রশ্নবিদ্ধ বলে দাবি করেন।

সম্পর্কিত