চরচা ডেস্ক

আনুষ্ঠানিকভাবে দেশজুড়ে ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (ভিও ওয়াই-ফাই) কলিং সেবা চালু করেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। বাংলালিংকের এ সেবার মাধ্যমে সারাদেশের গ্রাহকেরা মোবাইল নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে উন্নতমানের ভয়েস কল করতে পারবেন।
দেশব্যাপী এ সেবা চালু হওয়ার ফলে গ্রাহকেরা তাদের বাসা বা অফিসের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে এইচডি ভয়েস কোয়ালিটি এবং নিরবচ্ছিন্ন কলিং উপভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে, বিশেষভাবে উপকৃত হবেন নেটওয়ার্কের কভারেজ দুর্বল,উঁচু ভবন, ঘনবসতিপূর্ণ স্থাপনা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকেরা।
দেশের প্রথমবারের মত এ প্রযুক্তি চালু করা প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে বাংলালিংক গত সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ভিও ওয়াই-ফাই সেবা উন্মোচন করে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার নির্দিষ্ট এলাকায় পরিচালিত পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তব ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও গ্রাহকদের মতামতের ভিত্তিতে সেবার অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে সেবার মান উন্নত করা হয়।
মোবাইল সিগন্যাল দুর্বল হলে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কল রুট করবে। বাকি সকল ক্ষেত্রে এ সেবা মোবাইল নেটওয়ার্কের করা প্রচলিত ভয়েস কলের মতই কাজ করবে। এ সেবা ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের আলাদা কোন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে না কিংবা আলাদা অথেনটিকেশন প্রয়োজন হবে না। ওয়াই-ফাই ও মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে নির্বিঘ্নে কোন ঝামেলা ছাড়াই এ কল সুইচিং সম্পন্ন হবে।
মানসম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিতে উদ্ভাবনী এ প্রযুক্তির উন্মোচন নিয়ে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, “স্থান ও অবকাঠামো নির্বিশেষে কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল গ্যাপ দূর করে স্পষ্ট ও উচ্চমান সম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিত করবে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি। প্রত্যন্ত অঞ্চল কিংবা রাজধানী ঢাকা, যেকোন এলাকার বাসা বা অফিস সকল ক্ষেত্রেই গ্রাহকেরা কল করার ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সেবা উপভোগ করবেন। ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ভয়েস চ্যানেল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গ্রাহকদের ডিজিটাল লাইফস্টাইল উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে এ সেবা এবং যেকোন সময়, যেকোন স্থান থেকেই কল করার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন তারা।”
মোবাইল অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আইএসপি ও প্রযুক্তি অংশীদারদের সফল অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই দেশব্যাপী এ প্রযুক্তি চালু করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি, সম্মিলিত উদ্ভাবন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারকে আরও সহজলভ্য করতে ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু হ্যান্ডসেট মডেলে এবং নির্বাচিত আইএসপি অংশীদারদের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ সেবার সম্প্রসারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা মেনে ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও আইএসপি অংশীদারদের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বাংলালিংক। নতুন উন্মোচিত এ সেবা বাংলালিংকের এলটিই নেটওয়ার্কের পরিপূরক হিসেবে ইনডোর ও প্রত্যন্ত এলাকার সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।

আনুষ্ঠানিকভাবে দেশজুড়ে ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (ভিও ওয়াই-ফাই) কলিং সেবা চালু করেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। বাংলালিংকের এ সেবার মাধ্যমে সারাদেশের গ্রাহকেরা মোবাইল নেটওয়ার্কের পাশাপাশি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে উন্নতমানের ভয়েস কল করতে পারবেন।
দেশব্যাপী এ সেবা চালু হওয়ার ফলে গ্রাহকেরা তাদের বাসা বা অফিসের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে এইচডি ভয়েস কোয়ালিটি এবং নিরবচ্ছিন্ন কলিং উপভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে, বিশেষভাবে উপকৃত হবেন নেটওয়ার্কের কভারেজ দুর্বল,উঁচু ভবন, ঘনবসতিপূর্ণ স্থাপনা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকেরা।
দেশের প্রথমবারের মত এ প্রযুক্তি চালু করা প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে বাংলালিংক গত সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে ভিও ওয়াই-ফাই সেবা উন্মোচন করে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার নির্দিষ্ট এলাকায় পরিচালিত পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তব ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও গ্রাহকদের মতামতের ভিত্তিতে সেবার অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে সেবার মান উন্নত করা হয়।
মোবাইল সিগন্যাল দুর্বল হলে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যমান ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কল রুট করবে। বাকি সকল ক্ষেত্রে এ সেবা মোবাইল নেটওয়ার্কের করা প্রচলিত ভয়েস কলের মতই কাজ করবে। এ সেবা ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের আলাদা কোন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে না কিংবা আলাদা অথেনটিকেশন প্রয়োজন হবে না। ওয়াই-ফাই ও মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে নির্বিঘ্নে কোন ঝামেলা ছাড়াই এ কল সুইচিং সম্পন্ন হবে।
মানসম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিতে উদ্ভাবনী এ প্রযুক্তির উন্মোচন নিয়ে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, “স্থান ও অবকাঠামো নির্বিশেষে কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল গ্যাপ দূর করে স্পষ্ট ও উচ্চমান সম্পন্ন কলিং সেবা নিশ্চিত করবে ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি। প্রত্যন্ত অঞ্চল কিংবা রাজধানী ঢাকা, যেকোন এলাকার বাসা বা অফিস সকল ক্ষেত্রেই গ্রাহকেরা কল করার ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সেবা উপভোগ করবেন। ভিও ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ভয়েস চ্যানেল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গ্রাহকদের ডিজিটাল লাইফস্টাইল উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে এ সেবা এবং যেকোন সময়, যেকোন স্থান থেকেই কল করার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন তারা।”
মোবাইল অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আইএসপি ও প্রযুক্তি অংশীদারদের সফল অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই দেশব্যাপী এ প্রযুক্তি চালু করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি, সম্মিলিত উদ্ভাবন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারকে আরও সহজলভ্য করতে ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু হ্যান্ডসেট মডেলে এবং নির্বাচিত আইএসপি অংশীদারদের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকেরা। এ সেবার সম্প্রসারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা মেনে ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও আইএসপি অংশীদারদের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বাংলালিংক। নতুন উন্মোচিত এ সেবা বাংলালিংকের এলটিই নেটওয়ার্কের পরিপূরক হিসেবে ইনডোর ও প্রত্যন্ত এলাকার সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।

১৯২২ সালের আজকের এই দিনে মানবশরীরে প্রথম ইনসুলিনের সফল প্রয়োগ হয়েছিল। আজ থেকে ১০৪ বছর আগের সেই ১১ জানুয়ারি লিওনার্দো থমসন নামের ১৪ বছর বয়সী এক বালকের শরীরে প্রথম এ ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসে আক্রান্ত লিওনার্দো ছিল ভীষণভাবে অসুস্থ। তার শরীরে প্রয়োগের পর ক্রমে সে সুস্থ হয়ে ওঠে এবং বিস্ময়