চরচা ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল নারী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক দুটি ঘটনাকে ‘দুঃখজনক ও গভীর উদ্বেগজনক’ উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা তিন দফা দাবি তুলে ধরেছেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্নী, কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা, কবি সুফিয়া কামাল হল ছাত্র সংসদের সহ সভাপতি সানজানা চৌধুরী রাত্রি এবং কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার উল্লেখ করেন, যেখানে ঢাবির সাবেক এক দম্পতি ফিফা বিশ্বকাপের খেলা দেখতে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে গেলে তাদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তারা বৈধভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেও শুধুমাত্র একজন নারী সঙ্গে থাকায় তাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় এবং হল ছাড়তে বাধ্য করা হয়।
স্মারকলিপিতে আরেকটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়, যেখানে বর্তমান এক ঢাবি শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এক নারী সহপাঠীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় গোপনে ভিডিও ধারণের শিকার হন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ওই দুজনকে উপহাস, অপমান ও অনলাইন হয়রানির মুখে ফেলে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, দুটি ঘটনাই নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক মনোভাব, ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং ক্যাম্পাসে ক্রমবর্ধমান ‘মব’ সংস্কৃতির প্রতিফলন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত জ্ঞানচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আদান-প্রদানের উন্মুক্ত স্থান, যেখানে লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই সমান মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা এবং অংশগ্রহণের অধিকার ভোগ করবে।
স্মারকলিপিতে নারী শিক্ষার্থীরা তিনটি দাবি করেন। দাবিগুলো হলো— দুটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, নারী হয়রানি, অনলাইন হয়রানি, গোপনে ভিডিও ধারণ এবং ক্যাম্পাসে মব সংস্কৃতি প্রতিরোধে স্পষ্ট নীতিমালা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনিক বা আবাসিক কোনো সিদ্ধান্তে যেন নারীদের প্রতি বৈষম্য না করা হয় এবং তাদের চলাফেরা ও অংশগ্রহণের ওপর অযৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ না করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল নারী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক দুটি ঘটনাকে ‘দুঃখজনক ও গভীর উদ্বেগজনক’ উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা তিন দফা দাবি তুলে ধরেছেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্নী, কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা, কবি সুফিয়া কামাল হল ছাত্র সংসদের সহ সভাপতি সানজানা চৌধুরী রাত্রি এবং কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল রতনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার উল্লেখ করেন, যেখানে ঢাবির সাবেক এক দম্পতি ফিফা বিশ্বকাপের খেলা দেখতে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে গেলে তাদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তারা বৈধভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেও শুধুমাত্র একজন নারী সঙ্গে থাকায় তাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় এবং হল ছাড়তে বাধ্য করা হয়।
স্মারকলিপিতে আরেকটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়, যেখানে বর্তমান এক ঢাবি শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এক নারী সহপাঠীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় গোপনে ভিডিও ধারণের শিকার হন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ওই দুজনকে উপহাস, অপমান ও অনলাইন হয়রানির মুখে ফেলে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, দুটি ঘটনাই নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক মনোভাব, ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং ক্যাম্পাসে ক্রমবর্ধমান ‘মব’ সংস্কৃতির প্রতিফলন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত জ্ঞানচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আদান-প্রদানের উন্মুক্ত স্থান, যেখানে লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই সমান মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা এবং অংশগ্রহণের অধিকার ভোগ করবে।
স্মারকলিপিতে নারী শিক্ষার্থীরা তিনটি দাবি করেন। দাবিগুলো হলো— দুটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ, নারী হয়রানি, অনলাইন হয়রানি, গোপনে ভিডিও ধারণ এবং ক্যাম্পাসে মব সংস্কৃতি প্রতিরোধে স্পষ্ট নীতিমালা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনিক বা আবাসিক কোনো সিদ্ধান্তে যেন নারীদের প্রতি বৈষম্য না করা হয় এবং তাদের চলাফেরা ও অংশগ্রহণের ওপর অযৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ না করা হয়।

সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে নিজ কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন নিলুফার ইয়াসমিন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত থেকে কারাগারে যাওয়ার সময় আনোয়ার বলেন, “আমার অপরাধ আমি জুলাই যোদ্ধা, আমার বাড়ি ঘর ভাংচুর করে এনি চৌধুরীর খাস লোক বিএনপি সভাপতি মিঠু। আমারে মারধর করলে যখন ঘরে দৌড়ে পালাই তখন মিঠু এক হাজার লোক নিয়ে বাড়ি ঘেরাও করে।”