স্পেন ৭৪ শতাংশ বলের দখল রেখেছে। ২৩টি শট নিয়েছে, তার মধ্যে ৮টি ছিল গোলপোস্টমুখী। ৯০ মিনিটে ৭৬৪টা পাস দিয়েছে! মিনিটপ্রতি গড়ে প্রায় ৮.৫টা পাস! ৯২ শতাংশ পাস ঠিকঠাকও হয়েছে। ক্রসেরও কমতি রাখেনি স্পেন।
কিন্তু আটলান্টা স্টেডিয়ামে আজ রাতটাতে স্পেন কী করেছে, সেটা গৌণ।
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট তারা হতে পারে, ১৮ বছরেই তারকা বনে যাওয়া লামিন ইয়ামালের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার মাঠে নামার স্মৃতি হয়ে থাকতে পারে এই ম্যাচ। কিন্তু র্যাঙ্কিংয়ে স্পেনের (ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয়) চেয়ে ৬২ ধাপ পিছিয়ে থাকা কেপ ভার্দের অঘটন ঘটিয়ে দেওয়ার রাত হিসেবেই এটিকে মনে রাখবে ইতিহাস।
শুরু থেকে না থাকলেও ৭১ মিনিটে মাঠে নামা লামিন ইয়ামালের স্পেনকে, শুরু থেকেই খেলা পেদ্রির স্পেনকে, এবারের বিশ্বকাপে শিরোপার সম্ভাবনায় ফ্রান্সের পাশাপাশি সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশকে স্পেনকে ০-০ ড্র-তে আটকে দিয়েছে কেপ ভার্দে। সেটাও নিজেদের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে! প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ আর ৪০০০ বর্গ কিলোমিটারের কিছু বেশি আয়তনের দ্বীপ দেশটাতে আজ রাতে উৎসব থামবে না।
এবারের বিশ্বকাপে আরেকটা প্রথমেরও জন্ম দিয়েছে কেপ ভার্দে, এই ম্যাচ দিয়েই প্রথম গোলশূন্য ড্র দেখল ২০২৬ বিশ্বকাপ।
কেপ ভার্দের এমন ইতিহাস গড়া রাতে নায়ক হিসেবে কাউকে আলাদা করা ঠিক হবে না। প্রত্যেক খেলোয়াড়, কোচ বুবিস্তা এবং স্টেডিয়ামে গ্যালারি মাতিয়ে রাখা প্রতিটি দর্শক – সবারই মিলিত অবদানে অভিষেক রাঙিয়েছে কেপ ভার্দে। তবে এর মধ্যেও আলাদা করে বলতে হয় গোলকিপার ভোজিনিয়ার কথা। বয়স ৪০, খেলেন পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবে, কেপ ভার্দের এই দলের সবচেয়ে প্রবীণ সদস্য। সেই ভোজিনিয়াই আজ সেইভ করলেন ৭টি!
বুবিস্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর দলটাকে যে ‘হার্ড টু বিট’ বানিয়ে ফেলেছেন বলা হচ্ছিল, তার প্রমাণই আজ মাঠে রেখেছে কেপ ভার্দে। স্পেনের মতো দলের বিপক্ষে তারা একেবারে বক্সে ডিফেন্ডারদের দঙ্গল রেখেই খেলার কথা, তা-ই করেছে কেপ ভার্দে। তবে তারা যে গা জোয়ারি ফুটবল খেলেনি, বরং মাথা খাটিয়েই ডিফেন্ড করেছে, তার প্রমাণ – পুরো ম্যাচে মাত্র একটি ফাউল করেছে কেপ ভার্দে। পরিসংখ্যানবিষয়ক প্রতিষ্ঠার অপ্টা জানাচ্ছে, ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর থেকে এমন রেকর্ড আর কোনো দলের নেই!
স্পেন আপাতত শুধু এই রেকর্ডেই ভরসা রাখতে পারে যে, বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতার রেকর্ড দুটি আছে – ১৯৬৬-তে ইংল্যান্ড আর ১৯৮২-র ইতালি।
স্পেন এই লিস্টের তৃতীয় দল হবে কি না, সেটা ভবিষ্যৎ বলবে। আপাতত রাতটা শুধু কেপ ভার্দেতে মুগ্ধ হওয়ার।
স্পেন ৭৪ শতাংশ বলের দখল রেখেছে। ২৩টি শট নিয়েছে, তার মধ্যে ৮টি ছিল গোলপোস্টমুখী। ৯০ মিনিটে ৭৬৪টা পাস দিয়েছে! মিনিটপ্রতি গড়ে প্রায় ৮.৫টা পাস! ৯২ শতাংশ পাস ঠিকঠাকও হয়েছে। ক্রসেরও কমতি রাখেনি স্পেন।
কিন্তু আটলান্টা স্টেডিয়ামে আজ রাতটাতে স্পেন কী করেছে, সেটা গৌণ।
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট তারা হতে পারে, ১৮ বছরেই তারকা বনে যাওয়া লামিন ইয়ামালের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার মাঠে নামার স্মৃতি হয়ে থাকতে পারে এই ম্যাচ। কিন্তু র্যাঙ্কিংয়ে স্পেনের (ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয়) চেয়ে ৬২ ধাপ পিছিয়ে থাকা কেপ ভার্দের অঘটন ঘটিয়ে দেওয়ার রাত হিসেবেই এটিকে মনে রাখবে ইতিহাস।
শুরু থেকে না থাকলেও ৭১ মিনিটে মাঠে নামা লামিন ইয়ামালের স্পেনকে, শুরু থেকেই খেলা পেদ্রির স্পেনকে, এবারের বিশ্বকাপে শিরোপার সম্ভাবনায় ফ্রান্সের পাশাপাশি সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশকে স্পেনকে ০-০ ড্র-তে আটকে দিয়েছে কেপ ভার্দে। সেটাও নিজেদের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে! প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ আর ৪০০০ বর্গ কিলোমিটারের কিছু বেশি আয়তনের দ্বীপ দেশটাতে আজ রাতে উৎসব থামবে না।
এবারের বিশ্বকাপে আরেকটা প্রথমেরও জন্ম দিয়েছে কেপ ভার্দে, এই ম্যাচ দিয়েই প্রথম গোলশূন্য ড্র দেখল ২০২৬ বিশ্বকাপ।
কেপ ভার্দের এমন ইতিহাস গড়া রাতে নায়ক হিসেবে কাউকে আলাদা করা ঠিক হবে না। প্রত্যেক খেলোয়াড়, কোচ বুবিস্তা এবং স্টেডিয়ামে গ্যালারি মাতিয়ে রাখা প্রতিটি দর্শক – সবারই মিলিত অবদানে অভিষেক রাঙিয়েছে কেপ ভার্দে। তবে এর মধ্যেও আলাদা করে বলতে হয় গোলকিপার ভোজিনিয়ার কথা। বয়স ৪০, খেলেন পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবে, কেপ ভার্দের এই দলের সবচেয়ে প্রবীণ সদস্য। সেই ভোজিনিয়াই আজ সেইভ করলেন ৭টি!
বুবিস্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর দলটাকে যে ‘হার্ড টু বিট’ বানিয়ে ফেলেছেন বলা হচ্ছিল, তার প্রমাণই আজ মাঠে রেখেছে কেপ ভার্দে। স্পেনের মতো দলের বিপক্ষে তারা একেবারে বক্সে ডিফেন্ডারদের দঙ্গল রেখেই খেলার কথা, তা-ই করেছে কেপ ভার্দে। তবে তারা যে গা জোয়ারি ফুটবল খেলেনি, বরং মাথা খাটিয়েই ডিফেন্ড করেছে, তার প্রমাণ – পুরো ম্যাচে মাত্র একটি ফাউল করেছে কেপ ভার্দে। পরিসংখ্যানবিষয়ক প্রতিষ্ঠার অপ্টা জানাচ্ছে, ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর থেকে এমন রেকর্ড আর কোনো দলের নেই!
স্পেন আপাতত শুধু এই রেকর্ডেই ভরসা রাখতে পারে যে, বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতার রেকর্ড দুটি আছে – ১৯৬৬-তে ইংল্যান্ড আর ১৯৮২-র ইতালি।
স্পেন এই লিস্টের তৃতীয় দল হবে কি না, সেটা ভবিষ্যৎ বলবে। আপাতত রাতটা শুধু কেপ ভার্দেতে মুগ্ধ হওয়ার।