ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার মারা গেছেন। আজ শুক্রবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন।
১৯৫৯ সালে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জন্ম নেওয়া সুনীল কর্মকার সাত বছর বয়সে টাইফয়েড জ্বরে দৃষ্টিশক্তি হারান, কিন্তু হারাননি সুরের প্রতি ভালোবাসা। ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর ঘরানায় বেড়ে ওঠা এই শিল্পী বেহালা, দোতারা, একতারাসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন অনন্য।
নিজের রচিত প্রায় দুই শতাধিক গান দেশের বাউলসংগীতকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। তার শিল্পসাধনার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২২ সালে তিনি পান শিল্পকলা পদক।
আজ দুপুরে তার মরদেহ রাখা হয়েছিল ময়মনসিংহ টাউন হল মাঠে, সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে বিকেলে গৌরীপুরের কলতাপাড়ায় তার দাফন সম্পন্ন হয় ।
এদিকে, বিশিষ্ট ভাবুক ও দার্শনিক জালাল উদ্দিন খাঁর গান প্রসারে অসামান্য ভূমিকার জন্য সুনীল কর্মকারের প্রতি গভীর শোক জানিয়েছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি বলেন, সুনীল কর্মকার বাংলাদেশি সংগীত-সংস্কৃতির এক মূল্যবান সম্পদ, যার প্রয়াণ সংস্কৃতি অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি।

প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার মারা গেছেন। আজ শুক্রবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন।
১৯৫৯ সালে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জন্ম নেওয়া সুনীল কর্মকার সাত বছর বয়সে টাইফয়েড জ্বরে দৃষ্টিশক্তি হারান, কিন্তু হারাননি সুরের প্রতি ভালোবাসা। ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর ঘরানায় বেড়ে ওঠা এই শিল্পী বেহালা, দোতারা, একতারাসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন অনন্য।
নিজের রচিত প্রায় দুই শতাধিক গান দেশের বাউলসংগীতকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। তার শিল্পসাধনার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২২ সালে তিনি পান শিল্পকলা পদক।
আজ দুপুরে তার মরদেহ রাখা হয়েছিল ময়মনসিংহ টাউন হল মাঠে, সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে বিকেলে গৌরীপুরের কলতাপাড়ায় তার দাফন সম্পন্ন হয় ।
এদিকে, বিশিষ্ট ভাবুক ও দার্শনিক জালাল উদ্দিন খাঁর গান প্রসারে অসামান্য ভূমিকার জন্য সুনীল কর্মকারের প্রতি গভীর শোক জানিয়েছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি বলেন, সুনীল কর্মকার বাংলাদেশি সংগীত-সংস্কৃতির এক মূল্যবান সম্পদ, যার প্রয়াণ সংস্কৃতি অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি।