চরচা প্রতিবেদক

আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)। রাজনীতিতে ‘নতুন বন্দোবস্ত’ আনার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতাদের নিয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করাদের একাংশ ও বামপন্থি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন অ্যাকটিভিস্টরা এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছেন।
আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে এ প্ল্যাটফর্মের ঘোষণা দেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় উদ্বোধনী আয়োজনে তাদের লক্ষ্য, মূলনীতি ও খসড়া ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করে এনপিএ। একইসঙ্গে নতুন এই রাজনৈতিক প্রয়াসের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন প্ল্যাটফর্মের উদ্যোক্তারা।
গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও জনগণের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এই প্ল্যাটফর্মের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এনপিএর কেন্দ্রীয় সদস্য তুহিন খান।
বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট, সমাজে প্রকট হয়ে দাঁড়ানো অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাষ্ট্রকাঠামোতে নাগরিকের ক্ষমতায়নের যে সীমাবদ্ধতা এবং জনগণের ন্যূনতম অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয় ঘোষণাপত্রে। একইসঙ্গে জনগণের সংগ্রামের দীর্ঘ ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা হয়।
প্রচলিত দলগুলোর রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকল্প হিসেবে দাবি করা নতুন এই রাজনৈতিক প্রচেষ্টা কতটুকু সফল হবে এ নিয়ে প্ল্যাটফর্মের কেন্দ্রীয় সদস্য মেঘমল্লার বসু বলেন, ‘‘বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিবর্তন এবং জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুধু অতীতের অর্জন রক্ষার প্রশ্ন নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ নির্মাণের অপরিহার্যতা। এনপিএ সেই পথচলার একটি সার্বজনীন প্ল্যাটফর্ম হতে চায়।’’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে উদ্ভূত রাজনৈতিক শূন্যতা কাটিয়ে জনগণের প্রকৃত অধিকার ও সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি নতুন ধরনের প্রগতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এনপিএ ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, পেশা ও সামাজিক গোষ্ঠীর মতামত নিয়ে ঘোষণাপত্রটি চূড়ান্ত করবে এবং একটি বিস্তৃত গণ-আন্দোলন ও বাংলাদেশে প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন (এনপিএ)। রাজনীতিতে ‘নতুন বন্দোবস্ত’ আনার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতাদের নিয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করাদের একাংশ ও বামপন্থি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন অ্যাকটিভিস্টরা এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছেন।
আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে এ প্ল্যাটফর্মের ঘোষণা দেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় উদ্বোধনী আয়োজনে তাদের লক্ষ্য, মূলনীতি ও খসড়া ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করে এনপিএ। একইসঙ্গে নতুন এই রাজনৈতিক প্রয়াসের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন প্ল্যাটফর্মের উদ্যোক্তারা।
গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও জনগণের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা এই প্ল্যাটফর্মের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এনপিএর কেন্দ্রীয় সদস্য তুহিন খান।
বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট, সমাজে প্রকট হয়ে দাঁড়ানো অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাষ্ট্রকাঠামোতে নাগরিকের ক্ষমতায়নের যে সীমাবদ্ধতা এবং জনগণের ন্যূনতম অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয় ঘোষণাপত্রে। একইসঙ্গে জনগণের সংগ্রামের দীর্ঘ ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা হয়।
প্রচলিত দলগুলোর রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকল্প হিসেবে দাবি করা নতুন এই রাজনৈতিক প্রচেষ্টা কতটুকু সফল হবে এ নিয়ে প্ল্যাটফর্মের কেন্দ্রীয় সদস্য মেঘমল্লার বসু বলেন, ‘‘বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিবর্তন এবং জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুধু অতীতের অর্জন রক্ষার প্রশ্ন নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ নির্মাণের অপরিহার্যতা। এনপিএ সেই পথচলার একটি সার্বজনীন প্ল্যাটফর্ম হতে চায়।’’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে উদ্ভূত রাজনৈতিক শূন্যতা কাটিয়ে জনগণের প্রকৃত অধিকার ও সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি নতুন ধরনের প্রগতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এনপিএ ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, পেশা ও সামাজিক গোষ্ঠীর মতামত নিয়ে ঘোষণাপত্রটি চূড়ান্ত করবে এবং একটি বিস্তৃত গণ-আন্দোলন ও বাংলাদেশে প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট, সমাজে প্রকট হয়ে দাঁড়ানো অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাষ্ট্রকাঠামোতে নাগরিকের ক্ষমতায়নের যে সীমাবদ্ধতা এবং জনগণের ন্যূনতম অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয় ঘোষণাপত্রে। একইসঙ্গে জনগণের সংগ্রামের দীর্ঘ ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজ