চরচা ডেস্ক

ইরানে যেকোনো সময় ইসরায়েল হামলা চালাতে পারে। আর দেশটি এমন সুযোগই খুঁজছে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, গতকাল শুক্রবার তুর্কি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, “ইসরায়েল ইরানে আঘাত হানার একটি সুযোগ খুঁজছে। আমি আশা করেছিলাম তারা ভিন্ন কোনো পথ খুঁজে নেবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এমন পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।”
সম্প্রতি ইরান সফরের সময় তিনি সরাসরি ইরানি কর্মকর্তাদের কাছে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “সম্প্রতি আমি যখন তেহরানে গিয়েছিলাম, তখন একজন বন্ধু হিসেবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের সব কথা বলেছি। তিক্ত হলেও একজন বন্ধু সবসময় সত্য কথাই বলে।”
তুরস্ক টুডের বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ফিদানের এই সতর্কবার্তার আগে বৃহস্পতিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ফোনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, তুরস্ক ইরানের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দেয় এবং দেশটিতে যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধী।
শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, শত্রুরা যদি ইরানে কোনো হামলা চালায়, তাহলে তেহরান সেটিকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে। ওয়াশিংটন ও ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কথার লড়াইয়ের সর্বশেষ উত্তেজনাপূর্ণ বার্তা ছিল এটি।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানকে লক্ষ্য করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে একটি নৌবহর পাঠিয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহে ইরানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে হামলার হুমকি থেকে সরে আসার পর আবারও তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা প্রয়োগ করলেন।
রয়টার্সকে ওই জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেন, “আমেরিকানরা যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, আমরা বসে থাকব না। যেকোনো ধরনের হামলা—সীমিত, সার্জিক্যাল বা কাইনেটিক, যাই হোক না কেন— যেকোনো কিছুকেই আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে দেখব এবং তা মোকাবিলা করতে কঠোর জবাব দেব।”
মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী এবং এর স্ট্রাইক গ্রুপ দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে মোড় নিয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ইরানে যেকোনো সময় ইসরায়েল হামলা চালাতে পারে। আর দেশটি এমন সুযোগই খুঁজছে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, গতকাল শুক্রবার তুর্কি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, “ইসরায়েল ইরানে আঘাত হানার একটি সুযোগ খুঁজছে। আমি আশা করেছিলাম তারা ভিন্ন কোনো পথ খুঁজে নেবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এমন পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।”
সম্প্রতি ইরান সফরের সময় তিনি সরাসরি ইরানি কর্মকর্তাদের কাছে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “সম্প্রতি আমি যখন তেহরানে গিয়েছিলাম, তখন একজন বন্ধু হিসেবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের সব কথা বলেছি। তিক্ত হলেও একজন বন্ধু সবসময় সত্য কথাই বলে।”
তুরস্ক টুডের বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ফিদানের এই সতর্কবার্তার আগে বৃহস্পতিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ফোনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, তুরস্ক ইরানের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দেয় এবং দেশটিতে যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধী।
শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, শত্রুরা যদি ইরানে কোনো হামলা চালায়, তাহলে তেহরান সেটিকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে। ওয়াশিংটন ও ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কথার লড়াইয়ের সর্বশেষ উত্তেজনাপূর্ণ বার্তা ছিল এটি।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানকে লক্ষ্য করে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে একটি নৌবহর পাঠিয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহে ইরানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে হামলার হুমকি থেকে সরে আসার পর আবারও তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা প্রয়োগ করলেন।
রয়টার্সকে ওই জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা বলেন, “আমেরিকানরা যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, আমরা বসে থাকব না। যেকোনো ধরনের হামলা—সীমিত, সার্জিক্যাল বা কাইনেটিক, যাই হোক না কেন— যেকোনো কিছুকেই আমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে দেখব এবং তা মোকাবিলা করতে কঠোর জবাব দেব।”
মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী এবং এর স্ট্রাইক গ্রুপ দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে মোড় নিয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।