বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা

খুলনার সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরফানা হোসেন নির্জনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি আকাশকে গ্রেপ্তার হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ডুমুরিয়া থেকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে সদর থানায় আনা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আকাশ নির্জনার বাবা।
সদর থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি দল ডুমুরিয়া বাজারের আব্দুল কুদ্দুসের চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে আকাশকে গ্রেপ্তার করে। বিকেলে তাকে খুলনা সদর থানায় নিয়ে আসা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আকাশকে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গত ৮ জুলাই রাতে নগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক কিশোরীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃতদেহের ছবি দেখে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে লাশটি নিজের মেয়ে নির্জনার বলে শনাক্ত করেন মা সীমা খাতুন। পরবর্তীতে শুক্রবার খুলনা থানার এসআই লাভলী পাল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই আদালতে মেয়ে নির্জনা হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মা সীমা। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

খুলনার সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরফানা হোসেন নির্জনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি আকাশকে গ্রেপ্তার হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ডুমুরিয়া থেকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে সদর থানায় আনা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আকাশ নির্জনার বাবা।
সদর থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি দল ডুমুরিয়া বাজারের আব্দুল কুদ্দুসের চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে আকাশকে গ্রেপ্তার করে। বিকেলে তাকে খুলনা সদর থানায় নিয়ে আসা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আকাশকে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গত ৮ জুলাই রাতে নগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক কিশোরীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃতদেহের ছবি দেখে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে লাশটি নিজের মেয়ে নির্জনার বলে শনাক্ত করেন মা সীমা খাতুন। পরবর্তীতে শুক্রবার খুলনা থানার এসআই লাভলী পাল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই আদালতে মেয়ে নির্জনা হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মা সীমা। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ৮ জুলাই স্বামী রনির সাথে চলে যাওয়ার জন্য নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাড়ি থেকে বের হয় নির্জনা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাস্তা থেকে বাড়ি নিয়ে আসে। ওইদিন বিকেলে মা সীমার সাথে নির্জনার কথা কাটাকাটি হয়। সে সময় নির্জনা মায়ের গায়ে হাত তোলে। এরপর সীমার গলা টিপে ধরে নির্জনা।

প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণে ক্রয় করা মোটরযান রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ৫০ হাজার টাকা বহাল থাকার পেছনে কোন শক্তির প্রভাব কাজ করেছে—এমন প্রশ্ন তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।