চরচা ডেস্ক

নির্বাচনে এনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দলের জয়ের পর গঠিত মন্ত্রিসভার শপথ মঙ্গলবার। তাতে অংশ নেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও, জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে ভারতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ এবং বার্তা সংস্থা এএনআই এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে মুম্বাইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং দিল্লিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ব্যস্ত থাকার কথা রয়েছে নরেন্দ্র মোদির। এই পূর্বনির্ধারিত কূটনৈতিক ব্যস্ততার কারণেই তিনি ঢাকা সফরে আসতে পারছেন না। তবে ভারতের পক্ষ থেকে স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিবকে পাঠানো হচ্ছে, যা নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির গঠনমূলক সম্পর্কের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এর আগে গত শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি নির্বাচনে বিএনপির বিপুল জয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। মোদি এক বার্তায় বলেন, “একজন ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, অগ্রগতি এবং দুই দেশের জনগণের সমৃদ্ধির জন্য ভারত তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে।” তারেক রহমান এবং বিএনপিও ভারতের এই ইতিবাচক মনোভাবের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন ও পাকিস্তানসহ মোট ১৩টি দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধি ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধু দেশগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রথা ভেঙে এবারের শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর কথা রয়েছে। তবে সংবিধানে স্পিকারের মাধ্যমে শপথের বিধান থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতে পারেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে তারা এখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে।

নির্বাচনে এনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দলের জয়ের পর গঠিত মন্ত্রিসভার শপথ মঙ্গলবার। তাতে অংশ নেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও, জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে ভারতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ এবং বার্তা সংস্থা এএনআই এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে মুম্বাইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং দিল্লিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ব্যস্ত থাকার কথা রয়েছে নরেন্দ্র মোদির। এই পূর্বনির্ধারিত কূটনৈতিক ব্যস্ততার কারণেই তিনি ঢাকা সফরে আসতে পারছেন না। তবে ভারতের পক্ষ থেকে স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিবকে পাঠানো হচ্ছে, যা নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির গঠনমূলক সম্পর্কের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এর আগে গত শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি নির্বাচনে বিএনপির বিপুল জয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। মোদি এক বার্তায় বলেন, “একজন ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, অগ্রগতি এবং দুই দেশের জনগণের সমৃদ্ধির জন্য ভারত তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে।” তারেক রহমান এবং বিএনপিও ভারতের এই ইতিবাচক মনোভাবের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন ও পাকিস্তানসহ মোট ১৩টি দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধি ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধু দেশগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রথা ভেঙে এবারের শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর কথা রয়েছে। তবে সংবিধানে স্পিকারের মাধ্যমে শপথের বিধান থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতে পারেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে তারা এখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে।