চবি প্রতিনিধি

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সকল সদস্যের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে, যা আগে হাত তুলে নির্বাচন করা হতো।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে আজ রোববার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রপতি সাধারণত দুটি কাজ করতে পারেন; এক হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং আরেকটি হচ্ছে বিচারপতি নিয়োগ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তিনি কী আসলেই কাজগুলো করে থাকেন? বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী যাকে চান, তাকেই বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন।”
মনির হায়দার বলেন, “আমাদের আগে একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যিনি বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে গিয়ে জোকিং করতেন। সেই জোকার দুইদিন পরপর চিকিৎসার নাম করে দেশের বাইরে কোটি কোটি টাকা খরচ করতো। তাই এখন থেকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সকল সদস্যের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে, যা আগে হাত তুলে নির্বাচন করা হতো।”
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানান, এ ছাড়া এবার প্রস্তাব এসেছে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি ছাড়াও বিভিন্ন কাজ বা সংস্কার করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর রাষ্ট্রপতির ইচ্ছায় নিয়োগ দিতে পারবেন। মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল রাষ্ট্রপতি নিজের ইচ্ছামতো নিয়োগ দিতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সংশোধনী অনুযায়ী ১০০ সদস্যবিশিষ্ট আরেকটি পার্লামেন্ট হবে, যারা নির্বাচিত হবে পিয়ার পদ্ধতি অনুযায়ী। কোনো দল যদি জাতীয় নির্বাচনে একটিও আসন না পায়, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট পারসেন্টেজ পায়, তাহলে তাদের একজন সদস্য এখানে থাকবেন।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সকল সদস্যের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে, যা আগে হাত তুলে নির্বাচন করা হতো।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে আজ রোববার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রপতি সাধারণত দুটি কাজ করতে পারেন; এক হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং আরেকটি হচ্ছে বিচারপতি নিয়োগ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তিনি কী আসলেই কাজগুলো করে থাকেন? বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী যাকে চান, তাকেই বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন।”
মনির হায়দার বলেন, “আমাদের আগে একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যিনি বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে গিয়ে জোকিং করতেন। সেই জোকার দুইদিন পরপর চিকিৎসার নাম করে দেশের বাইরে কোটি কোটি টাকা খরচ করতো। তাই এখন থেকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হবে উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সকল সদস্যের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে, যা আগে হাত তুলে নির্বাচন করা হতো।”
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জানান, এ ছাড়া এবার প্রস্তাব এসেছে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি ছাড়াও বিভিন্ন কাজ বা সংস্কার করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর রাষ্ট্রপতির ইচ্ছায় নিয়োগ দিতে পারবেন। মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল রাষ্ট্রপতি নিজের ইচ্ছামতো নিয়োগ দিতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সংশোধনী অনুযায়ী ১০০ সদস্যবিশিষ্ট আরেকটি পার্লামেন্ট হবে, যারা নির্বাচিত হবে পিয়ার পদ্ধতি অনুযায়ী। কোনো দল যদি জাতীয় নির্বাচনে একটিও আসন না পায়, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট পারসেন্টেজ পায়, তাহলে তাদের একজন সদস্য এখানে থাকবেন।