চরচা ডেস্ক

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার একটি বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃতরা হলেন, সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামের বাসিন্দা লোকমান মণ্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দিলওয়ারা বেগম (৪৫)।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত খাবার খাওয়ার কারণে ওই দম্পতির মৃত্যু হতে পারে।
তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
ওসি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই দম্পতির ছেলে তাদের সঙ্গে আর্থিক বিরোধে জড়িয়েছিলেন।
তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীদের ধারণা, এটি শুধু স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; এর সঙ্গে অস্বাভাবিক বিষয়ও জড়িত থাকতে পারে।”
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে দম্পতির ছেলে মুক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে উপজেলার একটি বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃতরা হলেন, সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামের বাসিন্দা লোকমান মণ্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দিলওয়ারা বেগম (৪৫)।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত খাবার খাওয়ার কারণে ওই দম্পতির মৃত্যু হতে পারে।
তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
ওসি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই দম্পতির ছেলে তাদের সঙ্গে আর্থিক বিরোধে জড়িয়েছিলেন।
তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারীদের ধারণা, এটি শুধু স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; এর সঙ্গে অস্বাভাবিক বিষয়ও জড়িত থাকতে পারে।”
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে দম্পতির ছেলে মুক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মহাদেবপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে।