চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিসিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় তার আরও ছয় সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহাসান হাবিব পলাশ আজ সোমবার সকালে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঈনকে নড়াইলের কালিয়ার দাদনতলা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঈন তার ফুপুর বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।
মঈনকে ঢাকায় আনা হচ্ছে জানিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, তাকে শেরে বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বাকি ৬ জনকে বিভিন্ন জায়গা থেকে পৃথকভাবে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে, ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নম্বর আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা করেন।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে বাদীর বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলেন অভিযুক্তরা। বাদীর স্ত্রী দরজা খুললে মঈন তাকে পাঁচ লাখ টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধের দাবি জানান। টাকা না দিলে বাদী ও তার স্ত্রীর ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
বাদী তখন বাসার অন্য একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় তিনি হাসপাতালে থাকা তার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) বাসায় আসতে ফোন করেন। পরে তার ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাত সাত-আটজন ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা উচ্চস্বরে স্লোগান, গালাগালি এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তারা হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে হুমকিসূচক স্লোগান দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। এমনকি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়। এতে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিসিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় তার আরও ছয় সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহাসান হাবিব পলাশ আজ সোমবার সকালে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঈনকে নড়াইলের কালিয়ার দাদনতলা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঈন তার ফুপুর বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।
মঈনকে ঢাকায় আনা হচ্ছে জানিয়ে র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, তাকে শেরে বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বাকি ৬ জনকে বিভিন্ন জায়গা থেকে পৃথকভাবে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে, ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে এক নম্বর আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা করেন।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে বাদীর বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলেন অভিযুক্তরা। বাদীর স্ত্রী দরজা খুললে মঈন তাকে পাঁচ লাখ টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধের দাবি জানান। টাকা না দিলে বাদী ও তার স্ত্রীর ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
বাদী তখন বাসার অন্য একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় তিনি হাসপাতালে থাকা তার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) বাসায় আসতে ফোন করেন। পরে তার ভাই বাসায় পৌঁছালে মঈনসহ অজ্ঞাত সাত-আটজন ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা উচ্চস্বরে স্লোগান, গালাগালি এবং উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তারা হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে হুমকিসূচক স্লোগান দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। এমনকি হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়। এতে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
পরে শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।