বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়েছে। আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটে বাংলা ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা এক পিঠা বিক্রেতার দোকানও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
ঘটনাস্থলে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শুক্রবার রাতে রসায়ন বিভাগের এক ছাত্রী তার সহপাঠীর সঙ্গে ক্যাম্পাস সংলগ্ন মেরিন একাডেমির পাশের সড়কে হাঁটছিলেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী পেছন থেকে কটূক্তি ও শ্লীলতাহানিমূলক আচরণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক রাহাত হোসাইন ফয়সালের কাছে অভিযোগ করেন। তবে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাতে রাজি হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এরপর দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। উভয়পক্ষ মারামারি শুরু করার ব্যাপারে একে অপরকে দোষারোপ করছে।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. কবির হোসেন বলেন, “ক্যাম্পাসের ৩ নম্বর গেটে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। উভয় পক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়েছে। আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটে বাংলা ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা এক পিঠা বিক্রেতার দোকানও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
ঘটনাস্থলে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শুক্রবার রাতে রসায়ন বিভাগের এক ছাত্রী তার সহপাঠীর সঙ্গে ক্যাম্পাস সংলগ্ন মেরিন একাডেমির পাশের সড়কে হাঁটছিলেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী পেছন থেকে কটূক্তি ও শ্লীলতাহানিমূলক আচরণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক রাহাত হোসাইন ফয়সালের কাছে অভিযোগ করেন। তবে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাতে রাজি হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এরপর দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। উভয়পক্ষ মারামারি শুরু করার ব্যাপারে একে অপরকে দোষারোপ করছে।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. কবির হোসেন বলেন, “ক্যাম্পাসের ৩ নম্বর গেটে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। উভয় পক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”