চরচা প্রতিবেদক

‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় আগামী ৫ জুলাই চার্জগঠন শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ সোমবার বিভাগীয় স্পেশাল জজ শারমিন আফরোজ আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ দিন ধার্য করেন।
মতিউর রহমানের আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিটন ঢালি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে’ ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত আয় থেকে নিজ নামে গোপনসহ মোট ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ১২০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
প্রথম মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়। এই মামলারই অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় মতিউরের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীকে। শিবলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ ২৮ হাজার ৪৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলার তদন্ত এখনো চলছে।
মতিউর ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকিকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
২০২৪ সালে কোরবানির জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণের ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কেনার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মতিউর রহমানকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় আগামী ৫ জুলাই চার্জগঠন শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ সোমবার বিভাগীয় স্পেশাল জজ শারমিন আফরোজ আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ দিন ধার্য করেন।
মতিউর রহমানের আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিটন ঢালি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে’ ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত আয় থেকে নিজ নামে গোপনসহ মোট ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে ১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ১২০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
প্রথম মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ করা হয়। এই মামলারই অভিযোগপত্র অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় মতিউরের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীকে। শিবলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ ২৮ হাজার ৪৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলার তদন্ত এখনো চলছে।
মতিউর ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকিকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
২০২৪ সালে কোরবানির জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ইফাত নামের এক তরুণের ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কেনার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মতিউর রহমানকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।