চরচা প্রতিবেদক

দুই ইনিংসেই একই চিত্র। ওপেনাররা ক্রিজে যাওয়ার সময়ই যেন প্রস্তুতি শুরু করে দিতে হয়েছে নাজমুল হোসেন ও মুমিনুল হককে। অল্প সময়ের মধ্যেই যে ইনিংসের হাল ধরতে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। তবে দলের অন্যতম দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান টানা দ্বিতীয় ইনিংসেও পালন করেছেন নিজেদের দায়িত্ব। এর বদৌলতে রোমাঞ্চকর পঞ্চম দিনে কিছুটা হলেও এগিয়ে থেকেই নামবে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২, লিড ১৭৯ রানের।
মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ শুরু করেছিল বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে। বোর্ডে খুব বেশি রান জমা হওয়ার আগেই প্রথম সেশনে বিদায় নেন সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান। প্রথম ইনিংসের মতো এবারও তৃতীয় উইকেটে পাকিস্তানের বোলারদের কঠিন পরীক্ষাই নেন নাজমুল ও মুমিনুল।
বৃষ্টিতে দ্বিতীয় সেশন ভেসে যাওয়ার পর বিকেলে শুরু হয় শেষ সেশনের খেলা। লিড খুব বড় না হওয়ায় তখনও চাপেই ছিল বাংলাদেশ। তবে টেস্টে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নাজমুল এবং প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা মুমিনুল চূড়ান্ত নিবেদন দেখিয়ে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যান।
সেই প্রক্রিয়ায় প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা নাজমুল তুলে নেন আরেকটি ফিফটি। যদিও এই ইনিংসে তিনি ব্যাট করেছেন ধীরলয়ে। মুমিনুলও ছিলেন চেনা ছন্দেই। তবে ফিফটির পর ম্যাচের ধারার বিপরীতে তাকে ফিরিয়ে দেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। অফ স্টাম্পের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৫৬ রান করেন মুমিনুল। জুটিতে আসে ৭০ রান।
আলোj স্বল্পতার কারণে এরপর আর বেশি খেলা হয়নি। ১০৫ বলে ৫৮ রানে ক্রিজে আছেন নাজমুল। তার সঙ্গী মুশফিকুর রহিম (১৬)।

দুই ইনিংসেই একই চিত্র। ওপেনাররা ক্রিজে যাওয়ার সময়ই যেন প্রস্তুতি শুরু করে দিতে হয়েছে নাজমুল হোসেন ও মুমিনুল হককে। অল্প সময়ের মধ্যেই যে ইনিংসের হাল ধরতে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। তবে দলের অন্যতম দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান টানা দ্বিতীয় ইনিংসেও পালন করেছেন নিজেদের দায়িত্ব। এর বদৌলতে রোমাঞ্চকর পঞ্চম দিনে কিছুটা হলেও এগিয়ে থেকেই নামবে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২, লিড ১৭৯ রানের।
মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ শুরু করেছিল বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে। বোর্ডে খুব বেশি রান জমা হওয়ার আগেই প্রথম সেশনে বিদায় নেন সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান। প্রথম ইনিংসের মতো এবারও তৃতীয় উইকেটে পাকিস্তানের বোলারদের কঠিন পরীক্ষাই নেন নাজমুল ও মুমিনুল।
বৃষ্টিতে দ্বিতীয় সেশন ভেসে যাওয়ার পর বিকেলে শুরু হয় শেষ সেশনের খেলা। লিড খুব বড় না হওয়ায় তখনও চাপেই ছিল বাংলাদেশ। তবে টেস্টে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নাজমুল এবং প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা মুমিনুল চূড়ান্ত নিবেদন দেখিয়ে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যান।
সেই প্রক্রিয়ায় প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা নাজমুল তুলে নেন আরেকটি ফিফটি। যদিও এই ইনিংসে তিনি ব্যাট করেছেন ধীরলয়ে। মুমিনুলও ছিলেন চেনা ছন্দেই। তবে ফিফটির পর ম্যাচের ধারার বিপরীতে তাকে ফিরিয়ে দেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। অফ স্টাম্পের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৫৬ রান করেন মুমিনুল। জুটিতে আসে ৭০ রান।
আলোj স্বল্পতার কারণে এরপর আর বেশি খেলা হয়নি। ১০৫ বলে ৫৮ রানে ক্রিজে আছেন নাজমুল। তার সঙ্গী মুশফিকুর রহিম (১৬)।