রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ ছেড়ে দিয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে লিখিত অঙ্গীকারনামায় সই করার পর তাদের সেন্ট্রাল রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের নেওয়া হয়েছিল। পরে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে তারা ছাড়া পান।
ছাড়া পাওয়ার পর সাংবাদিকদের বিনয় দাস বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তিনি বলেন, “আমরা গণমাধ্যমকে আগে যা বলেছি, পুলিশকেও শুধু সেটিই বলেছি।”
গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগমী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তী প্রীয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পরদিন একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই সন্দেহভাজন পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া সীমান্ত ও বিদ্যুৎ দাস নামে দুই সাক্ষীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।