চরচা প্রতিবেদক

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন কর্মকর্তা।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত প্রত্যেকের এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন–টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালয়েশিয়ার নাগরিক প্রেমিত সিং, টয়োটা টুশো এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া ও টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নাভানা লিমিটেডের ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করতে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ৯ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে শফিউল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশে জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান টয়োটা টুশো করপোরেশনের ব্যবসায়িক অংশীদার নাভানা লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে টয়োটা ব্র্যান্ডের একক ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তবে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে নাভানার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও মিথ্যা বাজার পরিস্থিতি এবং কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যাতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক সুনাম ও সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তদন্ত শেষে পিবিআই গত ৮ ডিসেম্বর আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডার করা গাড়ির উৎপাদন ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেন। পাশাপাশি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহ না করায় নাভানা লিমিটেডের আমদানি ও সরবরাহ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে এবং কাস্টমস জটিলতা ও জরিমানার ঝুঁকিতে পড়ে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন কর্মকর্তা।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত প্রত্যেকের এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন–টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালয়েশিয়ার নাগরিক প্রেমিত সিং, টয়োটা টুশো এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া ও টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নাভানা লিমিটেডের ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করতে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ৯ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে শফিউল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশে জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান টয়োটা টুশো করপোরেশনের ব্যবসায়িক অংশীদার নাভানা লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে টয়োটা ব্র্যান্ডের একক ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তবে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে নাভানার বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও মিথ্যা বাজার পরিস্থিতি এবং কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যাতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক সুনাম ও সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তদন্ত শেষে পিবিআই গত ৮ ডিসেম্বর আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডার করা গাড়ির উৎপাদন ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেন। পাশাপাশি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহ না করায় নাভানা লিমিটেডের আমদানি ও সরবরাহ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে এবং কাস্টমস জটিলতা ও জরিমানার ঝুঁকিতে পড়ে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মন্ত্রণালয় এবং জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ১ লাখ কর্মী প্রেরণের লক্ষ্যে জাপানি ভাষা শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অধিক হারে কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ‘জাপান সেল’ নামে আলাদা সেল গঠন করা হয়েছে।